ভূমিকম্পের পর তুর্কি পরিবারগুলো ট্রেনে আশ্রয় পায় (ফটো স্টোরি)

রাসেল হেসেন
রাসেল হেসেন - সাময়িকী স্টাফ
1 মিনিটে পড়ুন
আরাফাত আতেস (৬৩) এবং তার স্ত্রী জেলিহা আতেস (৫৩) ইস্কেন্ডারুন স্টেশনে একটি ট্রেনে বসে আছেন। যেখানে সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের শিকারদের জন্য ট্রেনের বগিগুলি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত হয়। ছবি রয়টার্স

তুরস্কের বন্দর শহর ইস্কেন্ডারুনে গত মাসের শক্তিশালী ভূমিকম্পে বেঁচে যাওয়াদের জন্য ট্রেনের বগিগুলি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত হয়।

ভূমিকম্পের পর তুর্কি পরিবারগুলো ট্রেনে আশ্রয় নেয়
ইউসুফ কুরমা এবং আয়সেল ওজেলিক দুজনেরই বয়স ২০। তারা ইস্কেন্ডারুন ট্রেন স্টেশনে একটি গাড়িতে হাত ধরে বসে আছেন। তখন তারা তাদের বিয়ে স্থগিত করার বিষয়ে কথা বলছেন। ওজসেলিক বলেন, “আমাদের যখন অনেক পরিচিতজন মানুষ মারা গেছে তখন আমরা বিয়ে করতে পারি না।”। ছবি রয়টার্স

ভূমিকম্পের পর তুর্কি পরিবারগুলো ট্রেনে আশ্রয় নেয়
এই পরিবার ইস্কেন্ডারুন স্টেশনের একটি ট্রেনে আশ্রয় নেয়। ছবি রয়টার্স

ভূমিকম্পের পর তুর্কি পরিবারগুলো ট্রেনে আশ্রয় নেয়
৫৭ বছর বয়সী সাবরিয়ে করণ এবং ১৩ বছর বয়সী তার মেয়ে নেহির করণ একটি স্লিপার কেবিনে বসে আছেন। ছবি রয়টার্স

ভূমিকম্পের পর তুর্কি পরিবারগুলো ট্রেনে আশ্রয় নেয়
একজন পুরুষ এবং একজন মহিলা ইসকেন্ডারুন ট্রেন লাইন পাড় হচ্ছেন৷ ছবি রয়টার্স

ভূমিকম্পের পর তুর্কি পরিবারগুলো ট্রেনে আশ্রয় নেয়
একজন মহিলা ট্রেন লাইনের উপর দিয়ে হাঁটছেন৷ ছবি রয়টার্স

ভূমিকম্পের পর তুর্কি পরিবারগুলো ট্রেনে আশ্রয় নেয়
ইউসুফ কুরমা এবং আইসেল ওজসেলিক যে ট্রেনে তারা স্টেশনে আশ্রয় নিয়েছে। ছবি রয়টার্স

গুগল নিউজে সাময়িকীকে অনুসরণ করুন 👉 গুগল নিউজ গুগল নিউজ

এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
লেখক: রাসেল হেসেন সাময়িকী স্টাফ
সাংবাদিক এবং সাময়িকীর কর্মী
একটি মন্তব্য করুন

প্রবেশ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

আপনার অ্যাকাউন্টের ইমেইল বা ইউজারনেম লিখুন, আমরা আপনাকে পাসওয়ার্ড পুনরায় সেট করার জন্য একটি লিঙ্ক পাঠাব।

আপনার পাসওয়ার্ড পুনরায় সেট করার লিঙ্কটি অবৈধ বা মেয়াদোত্তীর্ণ বলে মনে হচ্ছে।

প্রবেশ করুন

Privacy Policy

Add to Collection

No Collections

Here you'll find all collections you've created before.

লেখা কপি করার অনুমতি নাই, লিংক শেয়ার করুন ইচ্ছে মতো!