Latest Post

করোনা: বিশেষ সম্মানী পাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা

করোনা: বিশেষ সম্মানী পাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা

রাজধানীসহ সারাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসায় সরাসরি নিয়োজিত চিকিৎসক নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের সরকার থেকে এককালীন দুই মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ প্রদানে পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

৩ আগস্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ বাজেট অধিশাখা সিনিয়র সহকারী সচিব সুশীল কুমার পাল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি অধিদফতরের মহাপরিচালককে গত ৯ জুলাই অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের এক স্মারকের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের সেবা প্রদানের সরাসরি নিয়োজিত চিকিৎসক-নার্স স্বাস্থ্যকর্মীদের সরকার কর্তৃক এককালীন দুই মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে পরিপত্র জারি করা হয়েছে’।

এমতাবস্থায় পরিপত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। শিগগিরই করোনাযোদ্ধাদের এ বিষয়ে সম্মানী ভাতা প্রদান করা হবে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, দেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। ১৮ মার্চ প্রথম রোগীর মৃত্যু হয়। এখন পর্যন্ত রাজধানীসহ সারাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৪২ হাজার ১৪২ জন। মোট রোগীর মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ১
৮৪ জন।

মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১১ লাখ ৯৩ হাজার ৫৪৪টি। এখন পর্যন্ত সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ লাখ ৩৭ হাজার ৯০৫ জনে।

আমাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পেলেও ভাববেন খুন : কঙ্গনা

আমাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পেলেও ভাববেন খুন : কঙ্গনা

বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত৷ সুশান্তের আত্মহত্যাকে তিনি খুন বলেই দাবি করছেন। তার মতে বলিউডে স্বজনপ্রীতির মন্দ চর্চা সুশান্তকে হতাশ করে দিয়েছিলো৷ সেই অবসাদেই মৃত্যুর পথ বেছে নিলেন তিনি।

এটা আত্মহত্যা নয়, খুনই করা হয়েছে সুশান্তকে, অভিনেতার মৃত্যুর দিনই প্রকাশ্যে এমন মন্তব্য করে বোমা ফাটিয়েছিলেন কঙ্গনা। এবার তার রেশ ধরেই আরও একবার বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন এ অভিনেত্রী।

তিনি বলেন, 'আমাকেও যদি ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়, জানবেন যে আমি আত্মহত্যা করিনি!'

সম্প্রতি টিম কঙ্গনার তরফে দাবি করা হয়েছিল যে, ১৪ জুন সুশান্তের আত্মহত্যার আগের রাতে অভিনেতার বাড়ির পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন বলিউডের নামকরা এক লোক। আরেকটি টুইটে দাবি করা হয়েছে, বলিউডের সবাই তার নাম জানলেও, কিছুতেই সেই নাম প্রকাশ্যে আনা হবে না। সেসবের রেশ ধরেই নতুন টুইটে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন কঙ্গনা।

অভিনেত্রীর টুইটার হ্যান্ডেল লেখা, 'সবাই তার নাম জানে। করণ জোহরের প্রিয় বন্ধু এবং পৃথিবীর সেরা মুখ্যমন্ত্রীর সেরা ছেলে, ভালোবেসে তাকে সবাই ‘বেবি পেঙ্গুইন’ বলেন… এবার যদি বাড়িতে আমাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়, তাহলে জেনে রাখবেন যে, আমি আত্মহত্যা করিনি।'

করণ জোহর, সালমান খান, মহেশ ভাট থেকে শুরু করে যশ রাজ ফিল্মসের কর্ণধার আদিত্য চোপড়াকেও তোয়াক্কা করেন না কঙ্গনা। ইন্ডাস্ট্রির ডাকসাইটে এই তারকারা ‘নেপোটিজমের ঝাণ্ডাধারী’ বলে কটাক্ষও করেছেন তিনি। সুশান্তকে অবসাদের দিকে ঠেলে দেওয়ার জন্য প্রকাশ্যেই তাদের দিকে আঙুল তুলেছেন অভিনেত্রী।

সপরিবারে করোনামুক্ত কোয়েল মল্লিক
সপরিবারে করোনামুক্ত কোয়েল মল্লিক

সপরিবারে করোনামুক্ত হয়েছেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনয় শিল্পী কোয়েল মল্লিক। রোববার টুইট করে কোয়েল জানিয়েছেন, তারা সবাই এখন করোনামুক্ত এবং সুস্থ আছেন।

শুভাকাঙ্ক্ষীদের ধন্যবাদ জানিয়ে কোয়েল টুইট করে বলেন, ‘প্রত্যেকের ভালোবাসা ও প্রার্থনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার মতো কোনো শব্দ নেই আমাদের কাছে। আমরা প্রত্যেকে সেরে উঠেছি। কোভিড-১৯ টেস্ট রিপোর্টও নেগেটিভ এসেছে সবার।’

এর আগে গত ১০ জুলাই এক টুইট বার্তায় কোয়েল মল্লিক লিখেছিলেন, ‘বাবা, মা, রানে (কোয়েল মল্লিকের স্বামী নিসপাল সিং রানে) ও আমার কোভিড-১৯ টেস্টের ফলাফল পজিটিভ। আমরা এখন সেলফ কোয়ারেন্টাইনে আছি।’




পশ্চিমবঙ্গের সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, করোনার মধ্যেই গত মে মাসে পুত্রসন্তানের মা হন কোয়েল মল্লিক। এরপর স্বামী-সন্তান নিয়ে বাবার বাড়ি অবস্থান করছিলেন তিনি। এর মধ্যে তাদের করোনা পরীক্ষার ফলাফল পজিটিভ আসে।

কোয়েল মল্লিকের বাবা কলকাতার খ্যাতনামা অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক। তার মায়ের নাম দীপা মল্লিক। ২০১৩ সালে সুরিন্দর ফিল্মসের কর্ণধার নিসপাল সিং রানের সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়েন কোয়েল।

করোনামুক্ত হলেন ঐশ্বরিয়া ও তার মেয়ে

করোনামুক্ত হলেন ঐশ্বরিয়া ও তার মেয়ে

অমিতাভ বচ্চন ও অভিষেক বচ্চন গত ১১ জুলাই করোনা আক্রান্ত হন। তারপর আতঙ্কের মধ্যে বচ্চন পরিবারের প্রত্যেকের করোনা টেস্ট করানো হয়েছিলে। টেস্টে জয়া বচ্চনের রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। তবে গত ১২ জুলাই জানা যায় ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও তার মেয়ে আরাধ্য বচ্চনের শরীরে এই ভাইরাস সংক্রমণ ঘটিয়েছে।

তারপর থেকেই তারা বাড়িতেই আইসোলেশনে ছিলেন। গত ১৭ জুলাই শরীর খারাপ হলে ঐশ্বরিয়া ও তার মেয়েকে নানাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আজ ২৭ জুলাই জানা গেল, মা মেয়ে দুজনই করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। তাদের দুজনের করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।

এ বিষয়ে অভিষেক বচ্চন টুইট করে জানিয়েছেন, ‘প্রার্থনা ও শুভেচ্ছার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। এই ঋণ কখনো শোধ করতে পারবো না। কোভিড টেস্ট নেগেটিভ আশায় বাড়ি চলে গিয়েছে ঐশ্বরিয়া ও আরাধ্যা। আমি ও বাবা হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীদের নজরদারিতে আছি এখনও।’

কিছুদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় রটে যায় অমিতাভ বচ্চন নাকি করোনামুক্ত হয়েছেন। যদিও সে খবরের সত্যতা নেই বলেই টুইট করে নিজেই জানিয়ে দেন অমিতাভ বচ্চন।

করোনামুক্ত অমিতাভ বচ্চন, ফিরলেন বাড়ি

করোনামুক্ত অমিতাভ বচ্চন, ফিরলেন বাড়ি

করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন বলিউড অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন। রোববার (২ আগস্ট) মুম্বাইয়ের নানাবতী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়ে তিনি বাড়ি ফিরেছেন। এর আগে করোনায় আক্রান্ত হলে গত ১১ জুলাই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

রোববার এক টুইট বার্তায় অমিতাভ বচ্চন নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি লিখেছেন, আমি কোভিড-১৯ পরীক্ষা করেছি। ছাড় দেয়া হয়েছে। আমি নির্জন কোয়ারেন্টাইনে ফিরে এসেছি।


এর আগে গত ১১ জুলাই অমিতাভের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর আসার কিছুক্ষণ পরই জানা যায়, করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তার ছেলে অভিষেক বচ্চন। অভিষেক নিজেই তার টুইটারে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর এক সপ্তাহ পর অভিষেকের স্ত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও মেয়ে আরাধ্যকে একই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে মা-মেয়ে হোম কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন। গত ২৭ জুলাই জানা যায়, মা-মেয়ে দুজনই করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন।

করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর থেকে বচ্চন পরিবারের সবাই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তবে চিকিৎসা নিয়ে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন অভিষেক বচ্চন, ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চন ও আরাধ্য বচ্চন।

করোনার জাদুকরী কোনো সমাধান নেই: ডব্লিউএইচও

করোনার জাদুকরী কোনো সমাধান নেই: ডব্লিউএইচও

বিশ্বকে গ্রাস করা মহামারি করোনাভাইরাস থেকে সহজে মুক্তি মিলবে না বলে আবারও সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থাটি বলেছে, এই ভাইরাস মোকাবেলায় সহজ ও জাদুকরী কোনো সমাধান নেই। এমনকি কখনো এ ধরনের কোনো সমাধান আর মিলতে নাও পারে এমন শঙ্কার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি। খবর বিবিসির।

সোমবার জেনেভায় এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির প্রধান তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস বলেন, করোনাভাইরাসের কার্যকর একটি টিকা তৈরির তোড়জোড় এবং এ টিকা নিয়ে সবার অনেক আশা থাকলেও কোনো জাদুকরী সমাধান হয়ত কোনোদিন মিলবে না; স্বাভাবিকতায় ফেরার পথ হবে দীর্ঘ।


সংবাদ সম্মেলনে গেব্রিয়েসুস বলেন, ‘জনগণ এবং বিভিন্ন দেশের সরকারের কাছে আমাদের পরিষ্কার বার্তা: সবাই এসব বিধি পালন করুন।’ মুখে মাস্ক পরাটা বিশ্বজুড়ে সংহতির প্রতীক হয়ে ওঠা উচিত বলে মনে করেন তিনি।

ডব্লিউএইচও প্রধান গেব্রিয়েসুস এবং সংস্থাটির জরুরি সেবা বিভাগের প্রধান মাইক রায়ান বিশ্বের সব দেশেই মানুষকে মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, হাত ধোয়া এবং ভাইরাস পরীক্ষার মতো স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।

এর আগে শুক্রবার গেব্রিয়াসিস বলেছিলেন, ‘যদিও করোনাভাইরাস নিয়ে গবেষণায় অগ্রগতি হয়েছে, তারপরও অনেক প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি, মানুষ এখনো ঝুঁকিতে থেকে গেছে।’

ভাইরাসের প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই মহামারির মতো এমন স্বাস্থ্য সংকট শতাব্দীতে একবারই দেখা যায়। আর এর প্রভাব আগামী কয়েক দশক পর্যন্ত থেকে যেতে পারে।’

বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এক কোটি ৮০ লাখের বেশি এবং মারা গেছেন ছয় লাখ ৯০ হাজারের বেশি মানুষ। অনেক দেশই মহামারির প্রথম ধাক্কা সামলে ওঠার পর দ্বিতীয় ধাক্কা সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে।

করোনাভাইরাস ঠেকাতে বিশ্বে বেশ কয়েকটি সম্ভাব্য ভ্যাকসিনের পরীক্ষা চলছে। গত মাসে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি জানিয়েছে, তাদের উদ্ভাবিত ভ্যাকসিন নিরাপদ ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে প্রতীয়মান হয়েছে। এই ভ্যাকসিনের পরবর্তী পরীক্ষায় ১০ হাজার মানুষের দেহে প্রয়োগ করা হবে। এছাড়া রাশিয়াসহ আরও কয়েকটি দেশ করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারে শেষ ধাপে রয়েছে বলে দাবি করেছে।

Author Name

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.