20.1 C
Drøbak
বুধবার, জুন ২৩, ২০২১
প্রথম পাতাসাম্প্রতিক১৪৪৬ বছরের কারাদণ্ড

১৪৪৬ বছরের কারাদণ্ড

একটি আদালত সম্প্রতি দুই অপরাধীকে ১৪৪৬ বছর করে‌ শাস্তি ঘোষণা করেছে। কিন্তু কোন অপরাধে? বেশ কিছু দিন ধরেই তাঁরা অন‌ লাইনের মাধ্যমে তৈরি করা খাবার বিক্রি করছিলেন।

না, তাঁদের খাবার খেয়ে কেউ অসুস্থ হননি। পঁচা মাংস দেওয়ারও অভিযোগ ওঠেনি তাঁদের বিরুদ্ধে। পরিমাণেও এতটুকু কম দিতেন না তাঁরা। বরং তাঁদের খাবার এতটাই সুস্বাদু ছিল যে, দোকানের সামনে লম্বা লাইন পড়ে যেত। তাই ভিড় সামাল দেওয়ার জন্যই তাঁরা অনলাইনের পথ বেছে নেন।

তবু তাঁদের বিরুদ্ধেই অভিযোগ জমা পড়তে লাগল। আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই ওই রেস্তোরাঁর দুই মালিককে প্রায় দেড় হাজার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে‌ থাইল্যান্ডের একটি আদালত। সাজা পাওয়া ওই দু’জন ছিলেন লেইমগেইট সি-ফুড অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের মালিক।

তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা গ্রাহকদের কাছ থেকে আগাম অর্থ নিয়েও খাবার তো সরবরাহ করেনইনি, উল্টে তাঁদের অর্থ ফেরত দিতেও অস্বীকার করেন।

অন্তত ২০ হাজার ক্রেতার কাছ থেকে প্রায় ৫০ মিলিয়ন বাথের (থাইল্যান্ডের মুদ্রা) খাবারের অর্ডার নিয়েছিলেন তাঁরা।

কিন্তু খাবার সরবরাহ করার সময় রেস্তোরাঁর ওই দুই মালিক ঘোষণা করেন যে, গ্রাহকদের চাহিদা মেটানো তাঁদের পক্ষে সক্ষম নয়। যে অর্থ তাঁরা অগ্রিম নিয়েছিলেন, সেটা তাঁদের রেস্তোরাঁর ধারবাকি এবং কর্মচারীদের পাওনা মেটাতেই শেষ হয়ে গেছে। ‌

শেষে এক সময় ক্রেতাদের অর্থ ফেরত না দিয়েই ওই রেস্তোরাঁটি বন্ধ করে দেন। এই ঘটনার পরে রেস্তোরাঁটির মালিকদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন কয়েকশো লোক। তখন আইন শৃঙ্খলা বাহিনী রেস্তোরাঁর ওই দুই মালিককে গ্রেফতার করে।

এর পরে জনগণের চাপে দু’দিনের মধ্যেই তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের শুনানি শুরু হয়। এবং কেস-হিস্ট্রি শুনে বিচারক মশাই মাত্র ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই ওই দুই রেস্তোরাঁ মালিকের প্রত্যেককে ১৪৪৬ বছর করে কারাদণ্ড দেন।

প্রতারণার অভিযোগে থাইল্যান্ডে এ রকম অকল্পনীয় সাজা দেওয়ার ঘটনা অবশ্য নতুন নয়। এ রকম অদ্ভুত অদ্ভুত কারাদণ্ডের বিধান আকছার ঘটে। ২০১৭ সালে থাইল্যান্ডের এক আদালত একজনকে ১৩ হাজার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল।

যদিও দেশটির আইনে কিন্তু প্রতারণার অভিযোগে এই রকম অনন্ত বছরের সাজা দেওয়ার কোনও বিধান নেই। সেখানে বলা আছে, খুব বেশি হলে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া যেতে পারে। তবুও…

সিদ্ধার্থ সিংহ
সিদ্ধার্থ সিংহ
২০২০ সালে 'সাহিত্য সম্রাট' উপাধিতে সম্মানিত এবং ২০১২ সালে 'বঙ্গ শিরোমণি' সম্মানে ভূষিত সিদ্ধার্থ সিংহের জন্ম কলকাতায়। আনন্দবাজার পত্রিকার পশ্চিমবঙ্গ শিশু সাহিত্য সংসদ পুরস্কার, স্বর্ণকলম পুরস্কার, সময়ের শব্দ আন্তরিক কলম, শান্তিরত্ন পুরস্কার, কবি সুধীন্দ্রনাথ দত্ত পুরস্কার, কাঞ্চন সাহিত্য পুরস্কার, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা লোক সাহিত্য পুরস্কার, প্রসাদ পুরস্কার, সামসুল হক পুরস্কার, সুচিত্রা ভট্টাচার্য স্মৃতি সাহিত্য পুরস্কার, অণু সাহিত্য পুরস্কার, কাস্তেকবি দিনেশ দাস স্মৃতি পুরস্কার, শিলালিপি সাহিত্য পুরস্কার, চেখ সাহিত্য পুরস্কার, মায়া সেন স্মৃতি সাহিত্য পুরস্কার ছাড়াও ছোট-বড় অজস্র পুরস্কার ও সম্মাননা। পেয়েছেন ১৪০৬ সালের 'শ্রেষ্ঠ কবি' এবং ১৪১৮ সালের 'শ্রেষ্ঠ গল্পকার'-এর শিরোপা সহ অসংখ্য পুরস্কার। এছাড়াও আনন্দ পাবলিশার্স থেকে প্রকাশিত তাঁর 'পঞ্চাশটি গল্প' গ্রন্থটির জন্য তাঁর নাম সম্প্রতি 'সৃজনী ভারত সাহিত্য পুরস্কার' প্রাপক হিসেবে ঘোষিত হয়েছে।
অন্যান্য নিবন্ধসমূহ

সংবাদদাতা এবং লেখা আবশ্যক

নরওয়ে থেকে প্রকাশিত একমাত্র বাংলা পত্রিকা ‘সাময়িকী’ পত্রিকার জন্য বাংলাদেশ সহ বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে সংবাদদাতা আবশ্যক।
ভায়োলেট হালদার
প্রধান সম্পাদক
[email protected]

গল্প-কবিতা সহ বিবিধ সাহিত্য রচনা প্রসঙ্গে ইমেইল করুন।
লিটন রাকিব
সাহিত্য সম্পাদক
[email protected]

- বিজ্ঞাপন -

সর্বাধিক পঠিত

সদ্য প্রকাশিত

লেখা কপি করার অনুমতি নেই, লিংক শেয়ার করুন।