0.8 C
Drøbak
সোমবার, জানুয়ারী ২৪, ২০২২
প্রথম পাতামুক্ত সাহিত্য'চন্দন রোশনি' মোহিত কামালের ধারাবাহিক উপন্যাস

‘চন্দন রোশনি’
মোহিত কামালের ধারাবাহিক উপন্যাস

সাগরের অথই জলে তলিয়ে গেছে অর্ণব। কী ঘটবে অর্ণবের জলজজীবনে? সমুদ্রসৈকতে অপেক্ষারত উর্বশীর জীবনে নেমে এলো কোন ঝড়? একে অপর থেকে কি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল নবদম্পতি? সাগরতলের জীবনে অর্ণব আর বাস্তব জীবনযুদ্ধে অশুভ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে থাকা উর্বশীর মধ্যে কীভাবে যোগাযোগ ঘটতে থাকে? হারিয়ে যাওয়ার পর কীভাবে অর্ণব বার বার ফিরে আসে উর্বশীর ঘটমান চলার পথে? বাস্তব আর পরাবাস্তবের আলোয় কীভাবে জ্বলে ওঠে ম্যাজিক রিয়ালিজম? সচেতন ও অবচেতন মনের এক সমগ্রতা বা অভিন্নতাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা সুররিয়ালিজমের কোন পথ মাড়িয়ে এগোবে এই উপন্যাসের কাহিনি? জানতে হলে পড়তে হবে উপন্যাসটি।

।।কুড়ি।।

আপনারা প্রফেশনাল কলগার্ল নন?
ভোরে পত্রিকা পড়া হয়নি। হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে হঠাৎ উর্বশীর চোখ পড়ল টেবিলে রাখা তৃতীয় পৃষ্ঠায় একটা শিরোনামে- ‘চন্দনার অবস্থার উন্নতি হয়েছে। তদন্তে বেরিয়ে আসছে অন্ধকার জগতের অজানা কথা’। শিরোনামটি পড়ার পর খুশির বদলে চট করে খামচে ধরল বুক, দুর্ভাবনার কামড় খেয়ে চোখ কুঁচকে পড়তে লাগল খবরটি। সঙ্গে সঙ্গে উদ্দীপ্ত হয়ে গেল কর্নিয়ার মধ্যে লুকোনো ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র আলোককণার চিপটি। সংযোগ ঘটে গেল অর্ণবের সঙ্গে। উর্বশীর পঠিত কথাগুলো পড়ার সময় একইভাবে ঢুকে যেতে লাগল অর্ণবের সত্তায়। উর্বশীর বিস্ময় আর হতবিহ্বলতা স্পর্শ করল সাগরজলে আশ্রয় পাওয়া অর্ণবকেও। বোধের জগতে বিষাদ ছড়িয়ে যেতে লাগল- বিষের তাড়না স্নায়ুতরঙ্গরূপে ছুটে গিয়ে আক্রমণ করতে লাগল মস্তিষ্কের গতিসঞ্চারী মোটর এলাকা। অসাড় হয়ে যাওয়ার কথা এমন বিষাক্ত খবরের ছোবলে। না, অবশ হলো না উর্বশী। মনোবলের প্রতিআক্রমণের মুখে পড়ল বিষতরঙ্গ। অর্ণবের পাঠানো নতুন সাংকেতিক বার্তার পাল্টা বাধায় বিষতরঙ্গ পরিণত হয়ে গেল নিউট্রাল ইলেকট্রিক সিগনালে। প্রতিরোধী এ সংকেত আরও প্রত্যয়দীপ্ত করে তুলল উর্বশীকে। মাথা ঠান্ডা রেখে পুরো খবরটি পড়ে হতবাক হলো। বুঝল পেছনের শত্রু ভয়াবহ। এমন খবরের পেছনে নিশ্চয়ই অপরাধী চক্রের হাত রয়েছে। সাংবাদিককে চড় মারার বিষয়টি উড়িয়ে দিল না। রিপোর্টারদের সঙ্গে আরও সংযত আচরণ করতে হবে- এমন বোধও নাড়া খেল ভেতরে।
ভেবেছিল হাসপাতালে গিয়ে আন্টিকে পাঠিয়ে দেবে বাসায়। রাতে তিনি চন্দনার সঙ্গে থেকেছেন। দিনে বিশ্রাম না পেলে আজ রাতে আরও কষ্ট পাবেন। এ ধারণা থেকে পরিকল্পনা তৈরি করে রাখলেও, এখন পরিকল্পনা বদলাল ও। মেডিকেল রিপোর্টের বিষয়ে আলাপ করতে হবে। মামলার বিষয়টি গতিশীল করতে হবে। ওয়ান স্টেপ সেন্টারের প্রধান ব্যক্তির সঙ্গে আলাপ করতে হবে। শুনেছিল সিস্টেমের মধ্যে সব হয়ে যাবে। দৌড়ঝাপের প্রয়োজন হবে না। এখন মনে হচ্ছে নিজে নিজে কিছুই হবে না। দৌড়ঝাপ না করলে মামলা এগোবে না। আর জনপ্রিয় একটি পত্রিকায় যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা ওয়ান স্টেপ সেন্টারের কর্মকর্তাদের মনে নেগেটিভ ইমপালস ঢুকিয়ে দিবে কিনা সেটিও ভাবল। তারপর একসময় দ্বিধা ঝেড়ে বাসা থেকে বের হলো ও।
উর্বশী এখন বাসায় থাকছে। ভাড়া ফ্ল্যাট তালা দিয়ে রেখেছে। একা ফ্ল্যাটে থাকার সাহস থাকলেও আপাতত চলে এসেছে বাসায়। স্বাধীনভাবে নিজেকে দাঁড় করানোর শুরুতেই হোঁচট খেতে হলো দেখে কিছুটা দমে গেলেও হতোদ্যম হলো না। চন্দনার একরোখা অতি উৎসাহী অতি বিশ্বাসী পদক্ষেপ যে ভুল ছিল, ভুল থেকে বিষের ছোবল খেয়ে ও-ই ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে- এ বিষয়ে এখন তাকে দোষারোপ করা যাবে না। পরবর্তী সময়ে ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে শুধরে চলতে হবে সামনের দিন। ভাবনাতরঙ্গে দুলে উঠল চোখের মধ্যে স্থান পাওয়া মাইক্রোচিপটি। দুলে উঠার সঙ্গে সঙ্গে বৈদ্যুতিক তরঙ্গ পৌঁছে গেল অর্ণবের মস্তিষ্কে। সংকেতের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে গেল দুটি চিপ। খবরের কাগজে প্রকাশিত বিকৃত সংবাদের ঝাঁঝ আরো কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য মনের দৃঢ় প্রস্তুতি বাড়িয়ে দিল। নিঃশ্বাস ছেড়ে এবার তাকাল বাইরে- দেখল খোলা আকাশ। ঝলমলে রোদ আর শীতবাতাসের ছোঁয়ায় পেতে লাগল ধৈর্য আর সাহসের প্রেরণা।

ওয়ান স্টেপ সার্ভিস সেন্টারের সমন্বয়ক চমকে উঠে প্রশ্ন করলেন, ‘আপনিই উর্বশী, চন্দনার সহচরী?’
‘জি। আমিই উর্বশী। চন্দনার বান্ধবী।’
শীতল কণ্ঠে জবাব দিয়ে সরাসরি সমন্বয়কের চোখের দিকে তাকিয়ে রইল উর্বশী।
চোখ নামিয়ে নিলেন না, চোখাচোখি তাকিয়ে সমন্বয়ক বললেন, ‘যা ঘটেছে চন্দনার জীবনে, তাকে রেপ বলা মুশকিল, প্রাপ্তবয়স্ক কেউ নিজের সম্মতিতে ওই ধরনের কাজে জড়ালে ধর্ষণ ঘটেছে বলা যায় না। তবে শারীরিক নির্যাতনের জন্য মামলা চলতে পারে।’
সাপের শীতল চোখের চেয়েও বিষধর ঠান্ডা হয়ে স্থির হয়ে রইল উর্বশীর চোখ। চোখ না সরিয়ে ও পাল্টা প্রশ্ন করল, ‘নিজের সম্মতি বলতে কী বোঝাচ্ছেন?’
‘কিছু বোঝাচ্ছি না। যা ঘটেছে, শুনেছি, পড়েছি পত্রিকায়, সেটাই বলছি। প্রফেশনাল কলগার্ল হিসেবে লেনদেনের বৈষয়িক বিষয়ে অ্যাসল্টেড হয়েছেন তিনি। এ ধরনের মামলা যাবে ভিন্ন ধারায়- ধর্ষণ মামলা হিসেবে টিকবে না এ মামলার মেরিট।’
‘ওঃ। আচ্ছা! আচ্ছা! তাহলে ওয়ান স্টেপ সার্ভিস সেন্টারের সমন্বয়ক সাহেব মামলার তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করেন নিউজ পেপার পড়ে, তাই না?’
‘প্রাথমিকভাবে প্রকাশিত নিউজ সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিতে প্রভাব ফেলে। আপনাদের ক্ষেত্রেও ইতোমধ্যে ক্ষতিকর পরিণতি ঘটে গেছে। আপনিও তো একজন প্রফেশনাল কলগার্ল- সে বিষয়টিও চাউর হয়ে গেছে। ছড়িয়ে পড়া এ খবর তো উড়িয়ে দিতে পারেন না, আপনি। কী বলেন, পারেন?’
কী জবাব হতে পারে এই ভয়াবহ প্রশ্নের! আগুন বেরুতে লাগল উর্বশীর চোখ ফেটে। সেই তাপে উত্তপ্ত হয়ে উঠল মাইক্রোচিপ। তাপে-উত্তাপে গরম হয়ে উঠা চিপের ভেতরই হঠাৎ ঘূর্ণি তুলল ঠান্ডা ঝড়। আলোর সংকেত অর্ণবের মস্তিষ্ক থেকে উড়ে এ সময় স্থান নিয়েছে উর্বশীর চোখে। শীতল চোখের চাউনি দেখে সমন্বয়ক সাহেব ভয় পেলেন। ভীত কণ্ঠে এড়িয়ে যাওয়া প্রশ্নের জবাব দিতে বাধ্য হলেন, ‘নিউজ পেপার থেকে মামলার তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করি না আমরা।’
‘তা হলে পত্রিকার রেফারেন্স দিয়ে কথা বললেন কেন?’
‘সত্য-মিথ্যার বিচারে রেফারেন্স টানিনি। এ মুহূর্তে সত্য-মিথ্যা বড় বিষয় নয়। আপনাদের জন্য কাজ করতে গেলে নিজের গায়েও কালির ছিটা লাগতে পারে, কলগার্লদের পক্ষে কাজ করে সুবিধা নিচ্ছি বলে দুয়ো আসতে পারে।’
‘মনের জোর নেই আপনার বা আপনার টিম মেম্বারদের? নিরীহ দুই সংগ্রামী মেয়ের গায়ে কলগার্লের তকমা সেঁটে দেবে অপরাধীমহল, সেটা বিশ্বাস করে বসে থাকবেন, নিজের বিবেকবোধ জলাঞ্জলি দেবেন- বিষয়টিতে কালিমা লেপন হবে না? কেউ কি আঙুল তুলে বলবে না, ওই যে, ওরা ধর্ষক বা ঘাতকের পক্ষে কাজ করছে- বদনাম ঘাড়ে চাপতে পারে না?’
ঝাঁঝাঁল প্রশ্নটি এমন হুল ফোটাল যে সমন্বয়ক সাহেব মুহূর্তের জন্য হয়ে গেলেন ‘আউট অব ওয়ার্ল্ড’। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই কেটে গেল তার বিমূঢ়তা। বিস্মিত কণ্ঠে জিজ্ঞেস করে বসলেন, ‘মানে কী? আপনারা প্রফেশনাল কলগার্ল নন? ভুল সংবাদের শিকারে পরিণত হয়েছেন?’
প্রশ্নের ভেতর থেকেই নতুন প্রশ্ন জেগে উঠল। ঝিকমিক আলোকদ্যুতি ছড়াতে ছড়াতে প্রশ্নের ঝড় যুক্ত হয়ে গেল বাতাসশক্তির সঙ্গে, তরঙ্গশক্তির নিস্তরঙ্গ স্তরেও বয়ে যেতে লাগল বুনো ঝড়, জোয়ার-ভাটার প্রাকৃতিক শক্তির সঙ্গেও মিশে যেতে লাগল প্রশ্নের অনুকণা- সূক্ষ্ম থেকে সূক্ষ্মতর বিন্দুতে পরিণত হয়ে তরঙ্গায়িত হলো কণাস্রোতে। উর্বশীর চোখের মণি ছুঁয়ে সেই স্রোত উৎকীর্ণ হতে লাগল অর্ণবের নতুন সত্তায়। সাগরতলেও উল্লাস জেগে উঠল- সি-বেডে বালু রাজ্যে কোটি কোটি তারকারাজির মতো জ্বলতে লাগল ফসফরাস, পলিমেটালিক সালফাইড, ম্যাগনেসিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ নডিউল, এভাপোরাইটসহ কোটি কোটি খনিজ আকরিক।
এসব দেখে শুদ্ধ রসায়নের আলোয় ভরে উঠল অর্ণবের দেহতরঙ্গ- ছুঁয়ে দিল উর্বশীকেও। উর্বশীর মাধ্যমে ঢুকে গেল সমন্বয়কের চোখে, মস্তিষ্কে। নতুন রূপে জেগে উঠে তিনি উর্বশীর উদ্দেশে বললেন, ‘সঠিক বিচারের জন্য যা যা করার দরকার, করব আমরা। নিশ্চিত থাকুন আপনি।’

চলবে…

আরও পড়ুন:
চন্দন রোশনি- উনিশ পর্ব
চন্দন রোশনি- আঠারো পর্ব
চন্দন রোশনি- সতেরো পর্ব
চন্দন রোশনি- ষোল পর্ব
চন্দন রোশনি- পনেরো পর্ব
চন্দন রোশনি- চোদ্দো পর্ব
চন্দন রোশনি- তেরো পর্ব
চন্দন রোশনি- বারো পর্ব
চন্দন রোশনি- এগারো পর্ব
চন্দন রোশনি- দশম পর্ব
চন্দন রোশনি- নবম পর্ব
চন্দন রোশনি- অষ্টম পর্ব
চন্দন রোশনি- সপ্তম পর্ব
চন্দন রোশনি- ষষ্ঠ পর্ব
চন্দন রোশনি- পঞ্চম পর্ব
চন্দন রোশনি- চতুর্থ পর্ব
চন্দন রোশনি- তৃতীয় পর্ব
চন্দন রোশনি- দ্বিতীয় পর্ব
চন্দন রোশনি- প্রথম পর্ব

মোহিত কামাল
মোহিত কামাল
কথাসাহিত্যিক মোহিত কামালের জন্ম ১৯৬০ সালের ০২ জানুয়ারি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলায়। তাঁর বাবার নাম আসাদুল হক এবং মায়ের নাম মাসুদা খাতুন। তাঁর শৈশব-কৈশোর কেটেছে আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম ও খালিশপুর, খুলনায়। বর্তমান নিবাস ধানমন্ডি, ঢাকা। স্ত্রী মাহফুজা আখতার মিলি, সন্তান মাহবুব ময়ূখ রিশাদ, পুত্রবধূ ইফফাত ইসলাম খান রুম্পা ও জিদনি ময়ূখ স্বচ্ছকে নিয়ে তাঁর সংসার। চার ভাই এক বোনের মধ্যে চতুর্থ সন্তান তিনি। তাঁর অ্যাফিডেভিট করা লেখক-নাম মোহিত কামাল। তিনি সম্পাদনা করছেন শুদ্ধ শব্দের নান্দনিক গৃহ, সাহিত্য-সংস্কৃতির মাসিক পত্রিকা শব্দঘর। তাঁর লেখালেখির মুখ্য বিষয় : উপন্যাস ও গল্প; শিশুসাহিত্য রচনার পাশাপাশি বিজ্ঞান বিষয়ে গবেষণাধর্মী রচনা। লেখকের উড়াল বালক কিশোর উপন্যাসটি স্কলাস্টিকা স্কুলের গ্রেড সেভেনের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে; ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্যও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচি (ঝঊছঅঊচ) কর্তৃকও নির্বাচিত হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রকাশিত কথাসাহিত্য ৩৭ (উপন্যাস ২৪, গল্পগ্রন্থ ১৩)। এ ছাড়া কিশোর উপন্যাস (১১টি) ও অন্যান্য গ্রন্থ মিলে বইয়ের সংখ্যা ৫৫। জাতীয় পুরস্কার: কথাসাহিত্যে অবদান রাখার জন্য তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (২০১৮), অগ্রণী ব্যাংক-শিশু একাডেমি শিশুসাহিত্য পুরস্কার ১৪১৮ বঙ্গাব্দ (২০১২) অর্জন করেছেন। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে অন্যান্য পুরস্কারও; হ্যাঁ (বিদ্যাপ্রকাশ, ২০২০) উপন্যাসটি পেয়েছে সমরেশ বসু সাহিত্য পুরস্কার (২০২০)। পথভ্রষ্ট ঘূর্ণির কৃষ্ণগহ্বর (বিদ্যাপ্রকাশ, ২০১৪) উপন্যাসটি পেয়েছে সিটি আনন্দ আলো সাহিত্য পুরস্কার (২০১৪)। সুখপাখি আগুনডানা (বিদ্যাপ্রকাশ, ২০০৮) উপন্যাসটি পেয়েছে এ-ওয়ান টেলিমিডিয়া স্বাধীনতা অ্যাওয়ার্ড ২০০৮ এবং বেগম রোকেয়া সম্মাননা পদক ২০০৮―সাপ্তাহিক দি নর্থ বেঙ্গল এক্সপ্রেস-প্রদত্ত। না (বিদ্যাপ্রকাশ, ২০০৯) উপন্যাসটি পেয়েছে স্বাধীনতা সংসদ নববর্ষ পুরস্কার ১৪১৫। চেনা বন্ধু অচেনা পথ (বিদ্যাপ্রকাশ, ২০১০) উপন্যাসটি পেয়েছে ময়মনসিংহ সংস্কৃতি পুরস্কার ১৪১৬। কিশোর উপন্যাস উড়াল বালক (রোদেলা প্রকাশনী, ২০১২; অনিন্দ্য প্রকাশ, ২০১৬) গ্রন্থটি ২০১২ সালে পেয়েছে এম নুরুল কাদের ফাউন্ডেশন শিশুসাহিত্য পুরস্কার (২০১২)। তিনি মনোচিকিৎসা বিদ্যার একজন অধ্যাপক, সাবেক পরিচালক জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ,ঢাকা
অন্যান্য নিবন্ধসমূহ

সংবাদদাতা এবং লেখা আবশ্যক

নরওয়ে থেকে প্রকাশিত একমাত্র বাংলা পত্রিকা ‘সাময়িকী’ পত্রিকার জন্য বাংলাদেশ সহ বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে সংবাদদাতা আবশ্যক।
ভায়োলেট হালদার
প্রধান সম্পাদক
[email protected]

গল্প-কবিতা সহ বিবিধ সাহিত্য রচনা প্রসঙ্গে ইমেইল করুন।
লিটন রাকিব
সাহিত্য সম্পাদক
[email protected]

- বিজ্ঞাপন -

সর্বাধিক পঠিত

সদ্য প্রকাশিত

লেখা কপি করার অনুমতি নেই, লিংক শেয়ার করুন।