8.8 C
Drøbak
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২১, ২০২১
প্রথম পাতাএক্সক্লুসিভআলো অন্ধকারে যাই (পর্ব ১৭)

আলো অন্ধকারে যাই (পর্ব ১৭)

নক্ষত্রের পতন

মুস্তাফিজ স্যারের বিদায়ের কিছুদিন পরে আমাদের স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন জনাব আবুল হোসেন। তিনিও সাতক্ষীরার মানুষ ছিলেন। 

তাঁর নেতৃত্বে আমাদের বিদ্যালয়ের নতুন যাত্রা শুরু হলো। আমরা প্রত্যক্ষ করতে শুরু করলাম, একটি ঝকঝকে স্কুলের গৌরব হারানোর ধারাবাহিকতা। প্রথম যে পরিবর্তন দৃশ্যমান হয়ে উঠলো তা হচ্ছে কর্মক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষকের পৌনঃপুনিক অনুপস্থিতি। তিনি সপ্তাহে এক-দু’দিন আসতেন – সাধারণত বুধবারে এসে বৃহস্পতিবার দুপুরের পরেই চলে যেতেন। প্রতিষ্ঠান প্রধান যারা হন, তাঁদের তোষামোদ করার লোকের অভাব হয়না। কিছু চাটুকার শ্রেণির মানুষ তাঁদের ব্যক্তিগত স্বার্থ সিদ্ধির প্রয়োজনে এঁদের চারপাশে ভিড় জমায়। প্রধান শিক্ষক মহোদয়ের ক্ষেত্রেও সেটি হতে সময় লাগলো না। মুস্তাফিজ স্যারের সময় যে সকল স্যার স্কুলের নানাবিধ কর্মকান্ডে বেশি সক্রিয় ছিলেন, তাঁদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে নতুন এক সেট কর্মবীর সামনে নিয়ে আসা হলো, যারা প্রধান শিক্ষককে সকল বিষয়ে ‘হ্যা’ বলার মাধ্যমে নিজেদের সুবিধা আদায়ে দারুণ দক্ষ ছিলেন। এটি ছিলো চমৎকার এক বোঝাপড়ার মাধ্যমে পরস্পরের পিট চুলকা-চুলকির ব্যাপার। আর এর ফলে খুব নিরবে নিভৃতে পাল্টে যেতে শুরু করলো বিদ্যালয়ের একাডেমিক চিত্রসহ সামগ্রিক পরিবেশ।

যে স্কুলের ঐতিহ্য ছিল পড়াশুনা, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড – সেগুলো ধীরে ধীরে অপসৃত হতে থাকলো। বাড়তে থাকলো সাম্প্রদায়িকতা। খুব সিনিয়র শিক্ষক – রহমান স্যার, সুধীর স্যার – তাঁদের সমীহ হারাতে থাকলেন। কিছুদিন পরে তাঁরা অবসরেও গেলেন। প্রধান শিক্ষকের সাথে শিক্ষার্থীদের একেবারেই কোনো হৃদয়ের সেতু তৈরী হলো না। উনি খুব একটা কারো সাথে মিশতেন না। একেবারেই যেটুকু সময় স্কুলে আসতেন সেটুকু সময় দাপ্তরিক কাজেই কাটিয়ে দিতেন। আর বৃহস্পতিবার আসতেই তাঁর বিকেলের গাড়ি ধরার তাড়া থাকতো। একদিনের কথা বলি। 

রহমান স্যারের বিদায়ের অনুষ্ঠান। কমন রুমে সকলে জড়ো হয়েছে স্যারের বিদায় উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠান শুরু হতে হতে প্রায় দুটো বেজে গেলো। শিক্ষার্থীবৃন্দ, স্যারের দীর্ঘদিনের সহকর্মী অনেকেই তাঁর সাথে স্মৃতি তর্পণ করলেন। এর পরে বাকি ছিলো শুধু রহমান স্যার আর প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য। 

এখানে রহমান স্যারকে একটু পরিচিত করে নেই। ছাত্র জীবনে তিনি খুব মেধাবী ছিলেন। অবিভক্ত ইন্ডিয়ার মেট্রিকুলেশন পরীক্ষাতে তিনি মানবিক শাখাতে সিক্সথ স্ট্যান্ড করেছিলেন বলে স্যার ও অন্যদের থেকে জেনেছিলাম এবং এই ফলাফলটাও স্যার করেছিলেন অসুস্থ শরীর নিয়েও পরীক্ষা দিয়ে।

চাকুরী জীবনের শেষ দিনটিতে স্যার তাঁর অতীত জীবনের স্মৃতি শেয়ার করতে শুরু করেন। মনে রাখতে হবে এটিই ছিল সকলের সাথে তাঁর সাফল্য, অসাফল্য, সংগ্রাম, ভালো-মন্দ শেয়ার করার শেষ সুযোগ। হলরুমে পিনপতন নিস্তব্ধতা। স্যার খুব সাদাসিধা জীবন যাপন করতেন। সেই অর্থে প্রভাবশালীদের তালিকাতে স্যারের নামটি ছিল না। এর পরেও স্কুলের ও শহরের সকলের কাছে উনার একটি আলাদা অবস্থান ছিল। সম্মান ছিল। শেষ জীবনে বেশ আর্থিক অনটনের মাঝে ছিলেন। এর একটা কারণ হয়তো পরিকল্পিত পরিবার গঠনে স্যারের অনাগ্রহ। যাহোক, স্যারের বিদায়ী বক্তব্য একটু দীর্ঘ হয়ে গিয়েছিল এবং সময়টি প্রধান শিক্ষক মহোদয়ের সাতক্ষীরাতে ফেরার বাসের সময়টিকে ছুঁয়ে ফেলছিল। প্রধান শিক্ষক ব্যস্ত হয়ে উঠলেন। স্লিপ পাঠানো হলো রহমান স্যারকে বক্তব্য শেষ করার জন্যে। রহমান স্যার সেটি হয়তো খেয়াল করেননি অথবা ইচ্ছে থাকলেও এই শেষ দিনটিতে তিনি আরো কথা বলতে ব্যাকুল ছিলেন। আগ্রহী শ্রোতাও কম ছিলেন না। কিন্তু তাঁকে মাঝপথে থামতে বাধ্য করা হলো কারণ হেড স্যারের বাসের সময় হয়ে যাচ্ছে। রহমান স্যার ব্যথিত হলেন। তারচেয়েও ব্যথিত হলাম আমরা যারা স্যারের বক্তব্য শুনছিলাম। ছাত্রদের মাঝে গুঞ্জন উঠলো। কিন্তু সব গুঞ্জন থামিয়ে দিয়ে প্রধান শিক্ষক খুব দায়সারাভাবে তাঁর বক্তব্য দিয়ে এবং তাঁরই একজন জ্যেষ্ঠ সহকর্মীর প্রতি উপযুক্ত মর্যাদা ও সম্মান না দেখিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করলেন। রহমান স্যার বিদায়ের দিনে এই অনাহুত আচরণের জন্যে প্রস্তুত ছিলেন না। তিনি বিব্রত হলেন। তাঁর জায়গায় অন্য কেউ হলেও তেমনটিই হতো।

এভাবেই শুরু। তারপর চোখের সামনে দিয়ে পাল্টাতে শুরু করলো খুব দ্রুত আমাদের প্রাণপ্রিয় প্রতিষ্ঠানটি। অভিভাবকহীন বিদ্যালয়ে মৌরসিপাট্টা জাকিয়ে বসার মতো ক্ষমতা প্রাপ্ত হলেন একজন বিজ্ঞান শিক্ষক আদতে যার নিয়োগ হয়েছিল কৃষি শিক্ষক হিসেবে। প্রধান শিক্ষকের অনুপস্থিতিতে তিনিই সর্বেসর্বা। সকল সিনিয়র শিক্ষকদের উপরেও তিনি খবরদারি শুরু করলেন।

আগে থেকেই তার ভিতরে উগ্র সাম্প্রদায়িকতা বিদ্যমান ছিল। এখন সেটি আরো ফুলে ফেঁপে উঠল। রাষ্ট্রযন্ত্রের আনুকূল্যও যোগ হলো তার সাথে কারণ সেটি ১৫ই আগস্ট পরবর্তী সময়। স্কুলের বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সাহিত্য-সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা বন্ধ হয়ে গেল। লাইব্রেরি যদিও টুকটাক আগে খুলতো, সেটিও বন্ধ হয়ে গেল। ঠিকমতো ক্লাসে শিক্ষক আসেন না;  আসলেও দেরিতে আসেন। এলেও আবার অনেক অপ্রয়োজনীয় গল্প চলতে থাকে। টিফিন নিয়ে ছাত্রদের মাঝে চরম অসন্তোষ। টিফিনের জন্যে অবধারিত খাবার ছিল বন-রুটি একটি, না হলে ঠান্ডা সিঙ্গারা বা জিলিপি। বিদ্যালয়ের প্রসাধন কক্ষ নোংরা, দুর্গন্ধময়, অপরিষ্কার। কিন্তু কে এসব দেখবে?

যিনি এসকল বিষয় দেখার উপযুক্ত ব্যক্তি তিনি সাতক্ষীরাতে আর তাঁর অনুপস্থিতিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত (?) যিনি, তিনি বিদ্যালয় ভিত্তিক রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত; ব্যস্ত তাঁর ক্ষমতার পরিধি ও মাত্রা প্রদর্শনে। আমি এখনো স্মরণ করতে পারি একবার তিনি এমনকি আমিসহ তাঁর কয়েকজন ছাত্রকে বর্ণনা করেছিলেন কেমন অনাকাঙ্খিতভাবে তাঁর সদ্যোজাত পুত্রের এই পৃথিবীতে আগমন হয়েছিলো। নবম শ্রেণির সন্তানতুল্য ছাত্রদর সাথে রসিকতা করে কীভাবে কন্ট্রাসেপশন নিয়ে গল্প করা যায় সেটি সেই সময়েও আমাদের ভাবনায় ঝড় তুলেছিল।  আমরা এসব শোনার জন্যে প্রস্তুত ছিলাম না। এর কোনো প্রয়োজনও ছিল না কারণ সেই আলোচনাটি একেবারেই তাঁর ব্যাক্তিগত জীবনের কাহিনী। আমার সম্মানিত স্যার বোধ হয় নৈকট্যের সীমারেখা বিস্মৃত হয়েছিলেন।  

এদেশে এক শ্রেণীর মানুষ আছেন যারা অন্য মতাদর্শে বিশ্বাসী মানুষকে নিজেদের মত করে দেখতে পছন্দ করেন বা চলতে উপদেশ দেন। কখনও সেই উদ্দেশ্যে এমন হাসি মস্করা করেন যেটি রুচিহীন। সেই রুচিহীনতার চর্চাও শুরু হলো আস্তে আস্তে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্বাস ও সংস্কৃতির শিক্ষার্থী থাকে। এদের সকলেই কোমলমতি। তাই এসকল ক্ষেত্রে শিক্ষকদের কর্তব্য সম্প্রীতি, সৌভাতৃত্ব, পরমতসহিষ্ণুতা চর্চা করার ক্ষেত্র প্রস্তুত করা। এগুলি আবেগীয় বিষয় আর শিক্ষা ক্ষেত্রে আবেগীয় বিষয়সমুহ তাত্বিকভাবে শেখানো যায় না।

থাইল্যান্ডে দেখেছি ক্লাসে মেডিটেশন শেখানো হয়, ধর্মের ক্লাসে সকলে একসাথে প্রার্থনাতে বসে। আমাদের দেশে যেভাবে ধর্মের ক্লাসে সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদেরকে বের হয়ে অন্য ক্লাসে চলে যেতে হয়, এতে তাদের মনে অবহেলা বা বিভেদের অনুভূতি সৃষ্টি হয়। ক্লাসের আচরণ শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে দেয় কে গুরুত্বপুর্ণ আর কে গুরুত্বহীন। এর মাঝে এক ধরণের ইনফেরিওরিটি-সুপিরিওরিটির বিষয় প্রচ্ছন্নভাবে জড়িয়ে যায়। সেটি হয়তো অনেকের নজরেই আসে না। যদি শ্রেণিকক্ষের অপ্রতুলতা থাকে তবে এমন তো হতে পারে যে একদিন গ্রূপ-১ শ্রেণিকক্ষ থেকে বেরিয়ে গিয়ে অন্যত্র ক্লাস করবে আর পরেরদিন তারা শ্রেণিকক্ষ বসবে আর গ্রুপ-২ বাইরে অন্যত্র ক্লাস করবে। এতে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সহমর্মিতার চর্চা হতো। কিন্তু সেটি হয় না। বেড়ালের গলায় ঘন্টা বাঁধবে কে? 

তাই বার্ষিক ভোজ বা অন্য অনুষ্ঠানে সকল ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর জন্যে উপযুক্ত এক রকম খাবারের ব্যবস্থা থেকে সরে এসে সেখানেও ভিন্ন ভিন্ন খাবারের ব্যবস্থা শুরু হলো আমাদের বিদ্যালয়ে। আর এর মাঝ দিয়ে এক শ্রেণীর শিক্ষার্থী এসকল অনুষ্ঠানে যোগদান করার উৎসাহটাই হারিয়ে ফেলল। ছোট্ট একটি ঘটনার প্রভাব হয়ে গেল সুদূরপ্রসারী। অথচ বিভিন্ন দেশে পড়াশোনা করার সময় দেখেছি, খাবার তো অনেক দুরের কথা, কোর্সের অংশ হিসেবে কোনো ছবি বা চিত্র প্রদর্শন করার আগে শিক্ষক জেনে নিয়েছেন এ ধরণের কোনো কন্টেন্ট দেখার ক্ষেত্রে কারো কোনো আপত্তি আছে কিনা। কালচারাল কোন কন্টেন্ট দেখাবার পরে শিক্ষক ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন বারবার এজন্যে পাছে সেটি কারো ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক অনুভূতিতে আঘাত করে থাকে। গ্রুপের সকলের একসাথে খাবার ব্যবস্থা থাকলে আগেই জেনে নেয়া হয়েছে কারো কোনো বিশেষ খাবারের বিষয়ে কোনো আপত্তি আছে কিনা। হালাল খাবারের প্রতি অনেক দেশেরই কোনো পক্ষপাত না থাকলেও সকল সময় হালাল খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে যেহেতু আমার বিশজনের গ্রুপে অন্তত ৪/৫ জন ছিলেন যারা হালাল খাবার ছাড়া খেতে অনাগ্রহী ছিলেন। 

আমি জানি না এখন মাগুরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে আর সরস্বতী পূজা হয় কিনা তবে শেষের দিকে এই পূজা নিয়েও অনেক সমস্যা হচ্ছিল। এজন্যেও আমার মনে হয় যুক্তরাজ্যে বা থাইল্যান্ডের মতো আমাদের দেশেও যদি কারিকুলামে তুলনামূলক ধর্মকে অন্তর্ভুক্ত করা যেতো তবে হয়তো তা শিক্ষার্থীদের মাঝে অনেক বেশি মাত্রায় সহনশীলতা সৃষ্টি করতো। এখন তো যে যার ধর্মকে জানে এবং যার যার নিজের গন্ডির বাইরে অন্য ধর্ম সম্পর্কে কিছুই জানে না বা ভুল জানে। এর সুযোগটা নেয় মৌলবাদ আর ধর্ম ব্যবসায়ীরা। 

আমাদের শিক্ষা ক্ষেত্র সত্তর দশকের শেষ দিক থেকে এসকল মৌলবাদ ও ধর্ম ব্যবসায়ীর খপ্পরে পড়েছে আর তার রাহুগ্রাস থেকে বের হতে আমাদের অনেক লম্বা সময় ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার দরকার বলেই মনে হয়। 

(চলবে)

গৌতম রায়
গৌতম রায়
গৌতম রায় ইংরেজির অধ্যাপক। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজীতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেবার পর বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বেশ তরুণ বয়সেই শিক্ষকতা পেশায় যোগ দেন। পড়িয়েছেন দেশে ও দেশের বাইরে বিভিন্ন কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে। শিক্ষার প্রতি ভালোবাসা থেকেই পরবর্তীতে ছাত্র হয়েছেন ইংল্যান্ডের এক্সিটার ইউনিভার্সিটির।‌ যুক্তরাষ্ট্রের অরেগন ইউনিভার্সিটি, ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটি ও ওয়ার্ল্ড লার্নিং থেকে নিয়েছেন পেশাগত প্রশিক্ষণ। এখন কারিকুলাম বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করছেন বাংলাদেশের জাতীয় ‌শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে। শিক্ষা বিষয়ক বর্ণিল কাজে নিজেকে ‌সম্পৃক্ত রাখার জন্যই বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যাবস্থাকে তিনি দেখেছেন খুব কাছে থেকে। শিক্ষা ক্ষেত্রে গৌতম রায়ের পছন্দের আঙ্গিনা শিক্ষকের অনিঃশেষ পেশাগত দক্ষতা, ইন্টারেক্টিভ মেটিরিয়ালস ডিভ্যালপমেন্ট, ও লার্নিং এসেসমেন্ট।
অন্যান্য নিবন্ধসমূহ

সংবাদদাতা এবং লেখা আবশ্যক

নরওয়ে থেকে প্রকাশিত একমাত্র বাংলা পত্রিকা ‘সাময়িকী’ পত্রিকার জন্য বাংলাদেশ সহ বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে সংবাদদাতা আবশ্যক।
ভায়োলেট হালদার
প্রধান সম্পাদক
[email protected]

গল্প-কবিতা সহ বিবিধ সাহিত্য রচনা প্রসঙ্গে ইমেইল করুন।
লিটন রাকিব
সাহিত্য সম্পাদক
[email protected]

- বিজ্ঞাপন -

সর্বাধিক পঠিত

সদ্য প্রকাশিত

লেখা কপি করার অনুমতি নেই, লিংক শেয়ার করুন।