-6.1 C
Drøbak
শনিবার, ডিসেম্বর ৪, ২০২১
প্রথম পাতাইতিহাসবঙ্গবন্ধুবঙ্গবন্ধুর অনির্বাণ অসাম্প্রদায়িক চেতনা

বঙ্গবন্ধুর অনির্বাণ অসাম্প্রদায়িক চেতনা

“আমার দেশবাসীর কল্যাণের কাছে আমার মতো নগণ্য ব্যক্তির জীবনের মূল্যই বা কতটুকু? মজলুম দেশবাসীর বাঁচার জন্য সংগ্রাম করার মতো মহান কাজ আর কিছু আছে বলে মনে করি না। এখন যদি কেউ বাংলাদেশের স্বাধীনতা হরণ করতে চায়, তাহলে সে স্বাধীনতা রক্ষা করার জন্যে মুজিব সর্বপ্রথম তার প্রাণ দেবে।’’––এই কথাটি অক্ষরে অক্ষরে সত্যি হয়েছিলো, ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বাংলার স্বপ্নদ্রষ্টা ও মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান আততায়ীর হাতে নিহত হন, যার ফলে পরবর্তী ১৫ বছরের জন্য বাংলাদেশে গণতন্ত্রের কবর রচিত হয়।

একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের মানুষদের মাঝে আগামী সুন্দর দিনের স্বপ্নের বীজ বুনেছিলেন তিনি, মানুষকে একতাবদ্ধ করে জাগিয়ে তুলে মুক্তির সংগ্রামের ডাক দিয়েছিলেন এ মহামানব। “জনগণকে ছাড়া, জনগণকে সংঘবদ্ধ না করে, জনগণকে আন্দোলনমুখী না করে এবং পরিস্কার আদর্শ সামনে না রেখে কোনোরকম গণ আন্দোলন হতে পারে না।” ৭ই মার্চ ১৯৭১ ঢাকা’র রেসকোর্স ময়দানের ঐতিহাসিক জনসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক নীতি নির্ধারণী ভাষণ দেন, ১০ দফার ভিত্তিতে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলনেরও ডাক দেন––

“বাংলার মাটি দু্র্জয় ঘাঁটি
জেনে নিক দুর্বৃত্তেরা,
এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম,
এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম।”

মুক্তিকামী মানুষেরা তার ডাকে সাড়া দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশকে শত্রুর কবল থেকে মুক্ত করতে। কি ছিল সেই মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট? বর্তমান বাংলাদেশ সে সময়ে পূর্ব পাকিস্তান নামে পরিচিত ছিল, আর বর্তমান পাকিস্তান ছিল পশ্চিম পাকিস্তান। কিন্তু তৎকালীন এ পাকিস্তান দেশটির দু’টি অংশের মাঝে ছিল ভারতের অবস্থান। রাষ্ট্রবিজ্ঞান অনুসারে, একটি নির্দিষ্ট দেশের মাঝে অপর আরেকটি দেশের ভুখণ্ডের অবস্থান হতে পারে না। পাকিস্তান একটি দেশ, কিন্তু একটি দেশের এই দুই ভুখণ্ডের মাঝে ছিল আরেকটি দেশ এবং ছিল ভাষা, শিক্ষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, প্রথা, আচার-অনুষ্ঠানগত অনেক ব্যবধান। এছাড়াও পাকিস্তান সরকার ও পশ্চিম পাকিস্তানের মানুষেরা সৌহার্দ্যপূর্ণ ভ্রাতৃত্ব কখনই প্রদর্শন করেনি পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলার মানুষদের প্রতি। তারা কখনোই বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে মেনে নিতে পারেনি। যেন তারা ছিল রাজা-শাসক আর আমরা বাঙালীরা ছিলাম প্রজা–নিপীড়িত। পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকেরা চেয়েছিল তাদের শাসন, শোষণ, আদেশ, নির্দেশ, উপদেশ পালন করে দাসের মত জীবনযাপন করবে বাংলার (পূর্ব পাকিস্তানের) মানুষেরা। পূর্ব পাকিস্তানের অর্জিত অর্থ ও সম্পদ দিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানের রাস্তাঘাট, শিল্পকারখানা, অবকাঠামোগত ও অন্যান্য উন্নয়নে বিনিয়োগ করা হতো। অন্যদিকে পূর্ব পাকিস্তানের তেমন কোনো উন্নয়নে কোন বিনিয়োগ করা হতো না। এরই ধারাবাহিকতায় তারা আঘাত করেছিল পূর্ব পাকিস্তানের মাতৃভাষা বাংলার উপরে, অর্থনৈতিক ভিত্তির উপরে––ফলে দিনে দিনে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষদের মাঝে অসন্তোষের বীজ দানা বাঁধতে থাকে। ১৯৫২ সালে বাংলার মানুষ ভাষার অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে । ১৯৬৯ এর ছয় দফা দাবীর মধ্য দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষেরা ন্যায্য দাবির আন্দোলন গড়ে তোলে, ১৯৭০ সালে জাতীয় নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়, কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকেরা ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা করে। এর আগে শেখ মুজিবর রহমান কয়েকবার কারাবন্দী হয়েছিলেন, কিন্তু আবারও ক্ষমতা হস্তান্তর না করে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ও শেখ মুজিবর রহমানসহ অন্যান্য নেতাদের গ্রেফতারের নির্দেশ দিলে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী রাজনৈতিক ও জনসাধারণের অসন্তোষ দমনে ২৫ মার্চ রাতে অপারেশন সার্চলাইট শুরু করে। সামরিক বাহিনীর অভিযান শুরু হওয়া মাত্র শেখ মুজিবুর রহমান ২৬শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। তিনি স্বাধীনতার ঘোষণায় বলেন–

“এটাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। আমি বাংলাদেশের মানুষকে আহ্বান জানাই, আপনারা যেখানেই থাকুন, আপনাদের সর্বস্ব দিয়ে দখলদার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত প্রতিরোধ চালিয়ে যান। বাংলাদেশের মাটি থেকে সর্বশেষ পাকিস্তানি সৈন্যটিকে উৎখাত করা এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের আগ পর্যন্ত আপনাদের যুদ্ধ অব্যাহত থাকুক।”

এরপরই তাঁকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়া হয় পশ্চিম পাকিস্তানে, তাঁকে কারাবন্দী করা হয়, প্রহসনের বিচারে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, কিন্তু তা কার্যকর করা হয়নি। তিনি ভেঙে পড়েননি; তিনি বরং বলেছিলেন–

“কোনো জেল জুলুমই কোনোদিন আমাকে টলাতে পারেনি, কিন্তু মানুষের ভালবাসা আমাকে বিব্রত করে তুলেছে।”

বাংলার মানুষ অর্থাৎ হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান-আদিবাসী তথা ধর্ম-বর্ণ-গোত্র-শ্রেণী নির্বিশেষে সমগ্র বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দীর্ঘ ৯ মাস ব্যাপী রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র যুদ্ধে অগণিত শহীদের জীবনাবসান ও মা-বোনের সম্ভ্রমহানির বিনিময়ে বাংলাদেশের মানুষ ১৬ই ডিসেম্বর স্বাধীনতা যুদ্ধে বিজয় ছিনিয়ে আনে, বাংলাদেশ-ভারত যৌথ কমান্ডের কাছে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং পৃথিবীর মানচিত্রে নতুন একটি স্বাধীন দেশের জন্ম হয়।

দীর্ঘ ১০ মাস পাকিস্তানে কারাবাস শেষে ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখেন স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, লাখো বাঙালি ফিরে পায় তাদের প্রাণপ্রিয় নেতাকে। এবার তার মানুষকে দেখানো স্বপ্ন বাস্তবায়নের পালা। বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন এবং পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী হন। স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য লেখা হয় একটি নতুন সংবিধান যার চারটি মূলনীতি হিসেবে “জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র” ঘোষণা করেন যা একত্রে মুজিববাদ নামেও পরিচিত। এ দেশ সকল ধর্মের মানুষের দেশ––হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান মিলেমিশে একটি দেশে থাকবে, সোনার বাংলা গড়বে এটাই ছিল বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাশা। তিনি বলেছিলেন––

“যার মনের মধ্যে আছে সাম্প্রদায়িকতা সে হলো বন্য জীবের সমতূল্য। আমরা গণতন্ত্র চাই, কিন্তু উশৃঙ্খলা চাই না, কারও বিরুদ্ধে ঘৃণা সৃষ্টি করতেও চাই না। অথচ কোনো কাগজে লেখা হয়েছে মুসলমানকে রক্ষা করার জন্য সংঘবদ্ধ হও। যে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে আমার দেশের মানুষ রক্ত দিয়েছে, এখানে বসে কেউ যদি তার বীজ বপন করতে চায় তাহলে তা কি আপনারা সহ্য করবেন? আর সাম্প্রদায়িকতা যেন মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে। ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র বাংলাদেশ। মুসলমান তার ধর্মকর্ম করবে। হিন্দু তার ধর্মকর্ম করবে। বৌদ্ধ তার ধর্মকর্ম করবে। কেউ কাউকে বাধা দিতে পারবে না। কিন্তু ইসলামের নামে আর বাংলাদেশের মানুষকে লুট করে খেতে দেওয়া হবে না। আওয়ামী লীগ ও তার কর্মীরা যে কোনো ধরনের সাম্প্রদায়িকতাকে ঘৃণা করে। আওয়ামী লীগের মধ্যে অনেক নেতা ও কর্মী আছে যারা সমাজতন্ত্রে বিশ্বাস করে; এবং তারা জানে সমাজতন্ত্রের পথই একমাত্র জনগণের মুক্তির পথ। ধনতন্ত্রবাদের মাধ্যমে জনগণকে শোষণ করা চলে। যারা সমাজতন্ত্রে বিশ্বাস করে, তারা কোনদিন কোনো রকমের সাম্প্রদায়িকতায় বিশ্বাস করতে পারে না। তাদের কাছে মুসলমান, হিন্দু, বাঙ্গালী, অবাঙ্গালী সকলেই সমান। ধর্মপ্রাণ বাঙালী মুসলমানরা তাদের ধর্মকে ভালোবাসে; কিন্তু ধর্মের নামে ধোঁকা দিয়ে রাজনৈতিক কার্যসিদ্ধি করতে তারা দিবে না এ ধারণা অনেকেরই হয়েছিল। জনসাধারণ চায় শোষণহীন সমাজ এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নতি। আমলা নয় মানুষ সৃষ্টি করুন। আমাদেরকে সোনার দেশের সোনার মানুষ হতে হবে। এ প্রধানমন্ত্রীত্ব আমার কাছে কাঁটা বলে মনে হয়। আমি যদি বাংলার মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে না পারি, আমি যদি দেখি বাংলার মানুষ দু:খী, আর যদি দেখি বাংলার মানুষ পেট ভরে খায় নাই, তাহলে আমি শান্তিতে মরতে পারবো না। এই স্বাধীনতা তখনি আমার কাছে প্রকৃত স্বাধীনতা হয়ে উঠবে, যেদিন বাংলার কৃষক-মজুর ও দুঃখী মানুষের সকল দুঃখের অবসান হবে।”

বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমান এই স্বপ্নের বাস্তব রূপ দিতে প্রায় শতাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও কোম্পানি রাষ্ট্রীয়করণ করেন এবং ভূমি ও মূলধন বাজেয়াপ্ত করে ভূমি পূনর্বণ্টনের মাধ্যমে কৃষকদের সাহায্য করেন। তিনি প্রাথমিক শিক্ষা, স্যানিটেশন, খাদ্য, স্বাস্থ্য, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডের বিস্তৃতি ঘটান এবং পাঁচ বছর মেয়াদী পরিকল্পনায় কৃষি, গ্রামীণ অবকাঠামো ও কুটির শিল্পে রাষ্ট্রীয় অর্থ বরাদ্দের নির্দেশ দেন। তিনি বলতেন––

“আমাদের চাষীরা হল সবচেয়ে দুঃখী ও নির্যাতিত এবং তাদের অবস্থার উন্নতির জন্যে আমাদের উদ্যোগের বিরাট অংশ অবশ্যই তাদের পেছনে নিয়োজিত করতে হবে।“

বঙ্গবন্ধু মা, মাটি ও দেশকে ভালোবেসেছেন, দেশের মানুষকে ভালোবেসেছেন, তিনি বলতেন––
“মানুষকে ভালোবাসলে মানুষও ভালোবাসে। যদি সামান্য ত্যাগ স্বীকার করেন, তবে জনসাধারণ আপনার জন্য জীবন দিতেও পারে।”

স্বাধীন বাংলাদেশের এই অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দিয়েছিল পাকিস্তানপন্থী ও বিপথগামী সেনাবাহিনীর কিছু সদস্য। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাকে নির্মমভাবে সপরিবারে হত্যা করা হয়। সে সময় কেবল তাঁর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে অবস্থান করার কারণে বেঁচে যান।

তার পর থেকে বাংলাদেশে পশ্চাৎমুখী এক কালো অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে এবং তা আজও বর্তমান। উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের চেষ্টা করে যাচ্ছে, যদিও আজও তারা পুরোপুরি সফল হতে পারেনি। সাম্প্রদায়িক মনোভাবাপন্ন হয়ে ধর্মের নামে ১৯৭১ সালে যেমন হত্যা করেছিল আমাদের স্বজনদের, আবার ১৯৭৫ এ হত্যা করেছিল সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে, সেই শত্রুরাই আজকের বাংলাদেশে এখনও টিকিয়ে রেখেছে তাদের অস্তিত্ব ও কর্মকাণ্ড।

“বাংলার উর্বর মাটিতে যেমন সোনা ফলে, ঠিক তেমনি পরগাছাও জন্মায়! একইভাবে বাংলাদেশে কতকগুলো রাজনৈতিক পরগাছা রয়েছে, যারা বাংলার মানুষের বর্তমান দুঃখ দূর্দশার জন্য দায়ী এবং সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা ছাড়া রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্থহীন। তাই মাটি ও মানুষকে কেন্দ্র করে গণমানুষের সুখ শান্তি ও স্বপ্ন এবং আশা-আকাঙক্ষাকে অবলম্বন করে গড়ে উঠবে বাংলার নিজস্ব সাহিত্য-সংস্কৃতি।” ––বঙ্গবন্ধু আপনার এ কথা আজ আমরা মর্মে মর্মে উপলব্ধি করতে পারছি।

যে সন্ত্রাস আজ সারা পৃথিবীতে চলছে সে সন্ত্রাসকে কাজে লাগিয়ে হত্যা করা হয়েছিল জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। কিছু পাকিস্তানপস্থী বাংলাদেশীরা আজও স্বপ্ন দেখে যে, তারাই আমাদের শাসন করবে, তাদের সাম্প্রদায়িকতার বিষে দিনের পর দিন আজও আমরা অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্বজন হারিয়ে চলেছি। তারা কেন তাদের সম্প্রদায়ের অন্যান্য দেশ নিয়ে স্বপ্ন দেখে না? কেন তারা তাদের সমমনোভাবাপন্ন সব দেশগুলিকে একটি রাষ্ট্রে পরিণত করতে পারে না? কেন তারা অসাম্প্রাদায়িক রাষ্ট্রে সাম্প্রদায়িকতার বিষ ঢেলে যাচ্ছে?

এই মহান নেতার মৃত্যুদিনে আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি।
জয় হোক মানবতার।
জয় বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু।

ভায়োলেট হালদার
ভায়োলেট হালদার
প্রধান সম্পাদক, সাময়িকী
অন্যান্য নিবন্ধসমূহ

সংবাদদাতা এবং লেখা আবশ্যক

নরওয়ে থেকে প্রকাশিত একমাত্র বাংলা পত্রিকা ‘সাময়িকী’ পত্রিকার জন্য বাংলাদেশ সহ বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে সংবাদদাতা আবশ্যক।
ভায়োলেট হালদার
প্রধান সম্পাদক
[email protected]

গল্প-কবিতা সহ বিবিধ সাহিত্য রচনা প্রসঙ্গে ইমেইল করুন।
লিটন রাকিব
সাহিত্য সম্পাদক
[email protected]

- বিজ্ঞাপন -

সর্বাধিক পঠিত

সদ্য প্রকাশিত

লেখা কপি করার অনুমতি নেই, লিংক শেয়ার করুন।