পারিবারিক বিরোধের জেরে নারীদের ওপর সহিংসতা কেন?

ফয়সাল কবির
ফয়সাল কবির - ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
2 মিনিটে পড়ুন
সাময়িকী.কম
পারিবারিক বিরোধের জেরে নারীদের ওপর সহিংসতা কেন?
নারীকে আঘাত করে পরিবারের সম্মান হানি করার ভাবনা থেকে এমনটা করা হয়

মঙ্গলবার টাঙ্গাইলের কালিহাতিতে প্রেম ঘটিত একটি বিষয়ের জের ধরে একটি পরিবারের ছেলের সামনে মাকে ধর্ষণের চেষ্টা, এবং মা ও ছেলে দুজনকেই শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠার পর, বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করলে পুলিশ তাদের ওপর গুলি ছোড়ে।

নির্যাতনের শিকার আল আমীন গতকাল বিবিসি’র কাছে অভিযোগ করেছিলেন, কালিহাতী উপজেলার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম রোমার স্ত্রীর সাথে তার সম্পর্ককে কেন্দ্র করে আলোচনার জন্য রফিকুলের বাড়িতে গেলে মা ও ছেলের মাঝে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করার চেষ্টা করা হয়।

বাংলাদেশে পারিবারিক বা জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে পরিবারের নারী সদস্যদের নানারকম সহিংসতার, বিশেষ করে, যৌন সহিংসতার শিকার হবার কথা শোনা গেলেও, কালিহাতির এ ঘটনার মত ঘটনা সাধারণত শোনা যায় না।

তবে, এমনই বিভিন্ন বিরোধের কারণে সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোর নারীদের হত্যা, ধর্ষণ, এসিড নিক্ষেপ এবং মারধরের শিকার হবার কথা জানা যায়। এমনই একজন নারী বলছিলেন, পরিবারের কেনা জমিতে বাড়ি তুলতে গেলে বিক্রেতার সাথে বিরোধের জের ধরে তার ওপর এসিড নিক্ষেপ করা হয়।

আবার পূর্ব শত্রুতা রয়েছে এমন পরিবারের একজনের বিয়ের প্রস্তাব গ্রহণ না করায় এসিডে ঝলসে দেয়া হয়েছে, এমন আরেকজন নারী বলছিলেন, পাঁচবছর আগে ঘটা ঐ অপরাধের এখনো কোন বিচার হয়নি।

তবে, এ ধরনের ঘটনায় বাংলাদেশে কতজন নারী প্রতিবছর নির্যাতনের শিকার হন, তার কোন সঠিক পরিসংখ্যান জানা যায় না। পুলিশের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার বলছে, পুলিশের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে, শুধু এমন ঘটনারই তথ্য তাদের কাছে রয়েছে। তবে, তাতেও সারা দেশে ঘটা এমন ঘটনার বিশেষ উল্লেখ তাদের কাছে আলাদা করে সংরক্ষণ করা নেই।

মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১৪ সালে দেশে মোট ২৪১জন নারী যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছেন। তবে,এর মধ্যে ঠিক কতজন নারী পারিবারিক বিরোধের বলি হয়েছেন, তার উল্লেখ নেই।

বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবি সমিতির প্রধান এ্যাডভোকেট সালমা আলী বলছেন, নারীকে আঘাত করে পরিবারের সম্মান হানি করার ভাবনা থেকে এমনটা করা হয়।

মিজ আলী বলছেন, এ অবস্থার উত্তরণে পুলিশকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। অনেক সময় নিরাপত্তার অভাবে নিপীড়নের শিকার নারী ও সাক্ষী আইনি প্রক্রিয়ায় থাকতে চাননা। মিজ আলী বলছেন, সেক্ষেত্রে তাদেরকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা দেবার ব্যবস্থা করতে হবে।
সুত্র: বিবিসি

গুগল নিউজে সাময়িকীকে অনুসরণ করুন 👉 গুগল নিউজ গুগল নিউজ

এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
লেখক: ফয়সাল কবির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
কর্মজীবী এবং লেখক
একটি মন্তব্য করুন

প্রবেশ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

আপনার অ্যাকাউন্টের ইমেইল বা ইউজারনেম লিখুন, আমরা আপনাকে পাসওয়ার্ড পুনরায় সেট করার জন্য একটি লিঙ্ক পাঠাব।

আপনার পাসওয়ার্ড পুনরায় সেট করার লিঙ্কটি অবৈধ বা মেয়াদোত্তীর্ণ বলে মনে হচ্ছে।

প্রবেশ করুন

Privacy Policy

Add to Collection

No Collections

Here you'll find all collections you've created before.

লেখা কপি করার অনুমতি নাই, লিংক শেয়ার করুন ইচ্ছে মতো!