“গাছটা বিক্রি করে দ্যান। ভালো দাম পাবেন।” সাফারি পরা লোকটি বলল।
তীর্থঙ্করবাবু নিরুত্তর।
“চাপ নেই , আমার পরিচিত লোক আছে। আপনার মেয়ের বিয়ের অর্ধেক খরচ উঠে যাবে।”
কথাটা বলতে বলতে লোকটি চলে গেল।”
তীর্থঙ্করবাবু মনে পড়ে যায় সেই দুর্যোগের রাত। গাড়ি ডাকতে ডাকতেই ঘরেই ডেলিভারি হয়েছিল কন্যা তিয়াসার। সেদিন সকালেই এই গাছটিকে পুঁতে ছিলেন। আর রাতে জন্ম হল কন্যা তিয়াসার। তিয়াসার মা বলেছিল গাছটা কেমন পয়মন্ত দেখছো। তুমি সকালে পুঁতলে আর রাতে সন্তানের মুখ দেখতে পেলাম। এর আগে তো দু’দুটো সন্তান ভুমিষ্ঠ হওয়ার আগেই মারা গেছে। আমাদের যত কষ্টই হোক এই গাছটা কাটবো না।
ও আমাদের বড়ো মেয়ে। ওর নাম পয়মন্তি।
✍️এই নিবন্ধটি সাময়িকীর সুন্দর এবং সহজ জমা ফর্ম ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। আপনার লেখা জমাদিন!
