গাজার আঁচল

মোঃ শাহিনুর আলম
2 মিনিটে পড়ুন
গাজার আঁচল, চিত্র: থর, টুনস ম‍্যাগ

রক্তে ভিজে গেছে গাজার মাটি,

শিশুর স্বপ্নে কাঁপে আঁধারের রাতি।

একটি বুলেটের ঝনঝনানি,

কোথায় গেলো শান্তির সুরানি?

- বিজ্ঞাপন -

বোমার গর্জন, ড্রোনের ঝাঁক,

একটি শহর ধ্বংসের রাজ।

মায়ের কোলে নিথর দেহ,

কোথায় গেলো মানুষের অঙ্গীকার?

পথে পথে খুঁজে হাহাকার,

- বিজ্ঞাপন -

পৃথিবী অন্ধ, চোখে দুঃখের ধার।

রক্ত দিয়ে লেখা গল্পগুলো,

জীবন চায় শুধু একটি সান্ত্বনা, শুধু কিছু আলো।

- বিজ্ঞাপন -

শিশুর কান্না যেন ঝড়ের মতো,

বাতাসে মিশে যায় ক্ষতগুলো।

কিন্তু কবে শেষ হবে এই দুঃসহ যাত্রা,

কবে ফিরবে শান্তি, হারানো শহর,

গাজার আঁচল ফিরে পাবে তার স্নেহ,

আবার জাগবে সূর্য—আলো মেখে।

মসজিদের মিনারে আর বাজে না আজান,

আকাশে ছড়িয়ে শুধু আগুনের ধ্বংসগান।

অধিকার শব্দটা এখানে নিষিদ্ধ,

একটি জাতির জীবনের গল্প যেন নিঃসঙ্গ স্রোতহীন নদীর বিদ্রোহ।

পাহারা দেয় যুদ্ধের প্রেত,

ঘুম আসে না, জেগে থাকে কপালের রেখা।

কোন শিশু শেখে বন্দুকের নাম,

অ আ ক খ নয়, শেখে আগুনের সন্ধান।

সংবাদপত্রে কেবল সংখ্যা—

কতজন মরলো, কত ঘর পুড়লো—

কিন্তু নেই সেই মা, যে এক হাতে ধরে

মৃত সন্তানের ছবি, অন্য হাতে চেপে রাখে বুকের ধ্বনি।

ওপারে যারা চুপ করে থাকে,

তাদের নীরবতা এক ধরণের খুন।

কবিতা কী করে থামে? ভাষা কী করে ঘুমায়?

যখন গাজার রাত ভরে ওঠে লাশের মিছিল আর পিতার আর্তনাদে।

তবুও, এখনও

একটি শিশু আকাশের দিকে তাকিয়ে স্বপ্ন দেখে,

একটি বীজ ফুটে ওঠে ধ্বংসের ভেতরে,

একটি কণ্ঠ বলে—”আমরা বাঁচবো, আলো আসবেই”।

✍️এই নিবন্ধটি সাময়িকীর সুন্দর এবং সহজ জমা ফর্ম ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। আপনার লেখা জমাদিন!

এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
শাহিনুর আলম ২০০১ সালের ৯ নভেম্বর লালমনিরহাট জেলার সিংগিমারী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড পলিমার সায়েন্স বিভাগে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে অধ্যয়নরত। লেখালেখির প্রতি গভীর অনুরাগ থেকে তিনি সাহিত্যচর্চায় যুক্ত হয়েছেন এবং নিজেকে গড়ে তুলছেন একজন নবীন লেখক হিসেবে।
মন্তব্য নেই

প্রবেশ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একটি অ্যাকাউন্ট নেই? নিবন্ধন করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

আপনার অ্যাকাউন্টের ইমেইল বা ইউজারনেম লিখুন, আমরা আপনাকে পাসওয়ার্ড পুনরায় সেট করার জন্য একটি লিঙ্ক পাঠাব।

আপনার পাসওয়ার্ড পুনরায় সেট করার লিঙ্কটি অবৈধ বা মেয়াদোত্তীর্ণ বলে মনে হচ্ছে।

প্রবেশ করুন

Privacy Policy

Add to Collection

No Collections

Here you'll find all collections you've created before.

লেখা কপি করার অনুমতি নাই, লিংক শেয়ার করুন ইচ্ছে মতো!