রক্তে ভিজে গেছে গাজার মাটি,
শিশুর স্বপ্নে কাঁপে আঁধারের রাতি।
একটি বুলেটের ঝনঝনানি,
কোথায় গেলো শান্তির সুরানি?
বোমার গর্জন, ড্রোনের ঝাঁক,
একটি শহর ধ্বংসের রাজ।
মায়ের কোলে নিথর দেহ,
কোথায় গেলো মানুষের অঙ্গীকার?
পথে পথে খুঁজে হাহাকার,
পৃথিবী অন্ধ, চোখে দুঃখের ধার।
রক্ত দিয়ে লেখা গল্পগুলো,
জীবন চায় শুধু একটি সান্ত্বনা, শুধু কিছু আলো।
শিশুর কান্না যেন ঝড়ের মতো,
বাতাসে মিশে যায় ক্ষতগুলো।
কিন্তু কবে শেষ হবে এই দুঃসহ যাত্রা,
কবে ফিরবে শান্তি, হারানো শহর,
গাজার আঁচল ফিরে পাবে তার স্নেহ,
আবার জাগবে সূর্য—আলো মেখে।
মসজিদের মিনারে আর বাজে না আজান,
আকাশে ছড়িয়ে শুধু আগুনের ধ্বংসগান।
অধিকার শব্দটা এখানে নিষিদ্ধ,
একটি জাতির জীবনের গল্প যেন নিঃসঙ্গ স্রোতহীন নদীর বিদ্রোহ।
পাহারা দেয় যুদ্ধের প্রেত,
ঘুম আসে না, জেগে থাকে কপালের রেখা।
কোন শিশু শেখে বন্দুকের নাম,
অ আ ক খ নয়, শেখে আগুনের সন্ধান।
সংবাদপত্রে কেবল সংখ্যা—
কতজন মরলো, কত ঘর পুড়লো—
কিন্তু নেই সেই মা, যে এক হাতে ধরে
মৃত সন্তানের ছবি, অন্য হাতে চেপে রাখে বুকের ধ্বনি।
ওপারে যারা চুপ করে থাকে,
তাদের নীরবতা এক ধরণের খুন।
কবিতা কী করে থামে? ভাষা কী করে ঘুমায়?
যখন গাজার রাত ভরে ওঠে লাশের মিছিল আর পিতার আর্তনাদে।
তবুও, এখনও
একটি শিশু আকাশের দিকে তাকিয়ে স্বপ্ন দেখে,
একটি বীজ ফুটে ওঠে ধ্বংসের ভেতরে,
একটি কণ্ঠ বলে—”আমরা বাঁচবো, আলো আসবেই”।
✍️এই নিবন্ধটি সাময়িকীর সুন্দর এবং সহজ জমা ফর্ম ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। আপনার লেখা জমাদিন!
