9.3 C
Drøbak
সোমবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
প্রথম পাতাশেয়ারবাজারমৌলভিত্তি শেয়ার কি?

মৌলভিত্তি শেয়ার কি?

মৌলভিত্তি শেয়ার কি?

২০১০ এ এমন কথা আমরা সবাই শুনেছি।যদিও তখন কজন বিনিয়োগকারী বুঝতে পেরেছিলাম তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

মৌলভিত্তি শেয়ার বাজার ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপনে সহায়তা করে।

বাজারে যখন ক্রেজ সৃষ্টি হলো ২০১০ সালে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক তারল্য প্রবাহ কমিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছিল, তখন স্বাভাবিক ভাবেই ব্যাংকের মতো মৌলভিত্তি শেয়ার ও টিকে থাকতে পারেনি অস্বাভাবিক দামের কারণে। 

মৌলভিত্তি শেয়ার সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন হতে পারে। তখন ব্যাংক সহ বিভিন্ন ভালো কোম্পানিও বোনাস, রাইট শেয়ার  দিয়ে পেইড আপ যত বড় করেছিলেন সে অনুপাতে মুনাফায় ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি। 

বহু জাতিক প্রতিষ্ঠান গুলো প্রতি বছর লাভের বৃদ্ধি ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পেরেছিল,  কিন্তু শেয়ারের দাম খুব বেশি বাড়তে পারতো না! এর পেছনে কারণ ছিল প্রতিষ্ঠানের কর্তা ব্যক্তিরা কোম্পানির শেয়ার নিয়ে বাজে খেলার সুযোগ দিতেন না। 

অনেক কোম্পানির ইপিএস এবং ডিভিডেন্ড বোর্ড মিটিংয়ের আগেই জানা যায় কিন্তু বেশ কিছু কোম্পানি এ সব তথ্যে এতোটাই গোপনীয়তা রক্ষা করেন যথা সময়ের আগে তা জানা কারো পক্ষেই সম্ভব না। তাই স্বল্প সময়ের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ঐ সব কোম্পানির শেয়ার নিয়ে আগ্রহ থাকে খুব কম।

মৌলভিত্তি শেয়ারে বিনিয়োগ ততদিন পর্যন্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য লাভজনক যতদিন পর্যন্ত দামের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ ডিভিডেন্ড ও পেয়ে থাকেন।

বর্তমানে  বেশ কিছু মৌলভিত্তি শেয়ার রয়েছে বিনিয়োগের উত্তম সময় বলে হচ্ছে সেগুলো ও অবহেলিত বিনিয়োগকারীদের কাছে। কেননা এখন চলছে খারাপ কে ভাল করার ব্যবস্থা!খুব ভালো উদ্যোগ। বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

নিজের ঘরের নিরাপত্তা কতদিন অন্যের উপর নির্ভরশীল হয়ে থাকতে পারেন। নিজেকে ও সচেতন থাকতে হবে।পরিবারের সদস্যদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে কিছু বিনিয়োগ ফেলে রাখতে পারেন মৌলভিত্তি শেয়ারে। 

মৌলভিত্তি শেয়ার কি? তা সামান্য কথায় সংজ্ঞায়িত করা সম্ভব নয়! সংক্ষেপে বলা যায়, এসব কোম্পানির মালিকদের কাছে বেশি পরিমাণে শেয়ার থাকে। কমদামে ভবিষ্যৎ ভালো কোম্পানির শেয়ার, যার প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ কম, যেসব শেয়ারের ডিভিডেন্ডে ও লাভের বৃদ্ধি ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে এবং ভবিষ্যতে লাভজনক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে চলছে, এসব চুলচেরা বিশ্লেষণ করলে বুঝতে তেমন কষ্ট হবার কথা নয়। সবার জন্য বুঝে-শুনে শেয়ার ক্রয়ের কামনা রইলো।

আল আমিন হোসেন

(শেয়ার বাজার বিনিয়োগকারী, ঢাকা।)

অতিথি লেখক
অতিথি লেখকhttps://www.samoyiki.com
সাময়িকীর অতিথি লেখক একাউন্ট। ইমেইল মাধ্যমে প্রাপ্ত লেখাসমূহ অতিথি লেখক একাউন্ট থেকে প্রকাশিত হয়।
অন্যান্য নিবন্ধসমূহ

সংবাদদাতা এবং লেখা আবশ্যক

নরওয়ে থেকে প্রকাশিত একমাত্র বাংলা পত্রিকা ‘সাময়িকী’ পত্রিকার জন্য বাংলাদেশ সহ বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে সংবাদদাতা আবশ্যক।
ভায়োলেট হালদার
প্রধান সম্পাদক
[email protected]

গল্প-কবিতা সহ বিবিধ সাহিত্য রচনা প্রসঙ্গে ইমেইল করুন।
লিটন রাকিব
সাহিত্য সম্পাদক
[email protected]

- বিজ্ঞাপন -

সর্বাধিক পঠিত

সদ্য প্রকাশিত

লেখা কপি করার অনুমতি নেই, লিংক শেয়ার করুন।