10 C
Drøbak
সোমবার, অক্টোবর ২৫, ২০২১
প্রথম পাতাসাম্প্রতিকনাটোরের একজন সমাজসেবক আব্দুস সালাম

নাটোরের একজন সমাজসেবক আব্দুস সালাম

নাটোরের সমাজসেবক আব্দুস সালাম, সাধারন একজন ব্যবসায়ী, তিনি নবাব সিরাজ-উদ্-দৌলা সরকারি কলেজের ছাত্র সংসদের জি এস ছিলেন। তৎকালীন সময় থেকেই তিনি অন্যায়ের প্রতিবাদকারী হিসেবে, অনেকের কাছেই পরিচিত।

কর্মসংস্থান তৈরি করেছেন প্রায় হাজারো মানুষের। ব্যবসায়ী হিসেবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে পেয়েছেন সম্মাননা। সেরা করদাতার তালিকায় রয়েছে তার নাম। রক্তদান কর্মসূচি থেকে শুরু করে প্রতিবন্ধীদের মাঝে বিনামূল্যে ছাগল বিতরণ, শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ সহ বস্ত্র ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করে আসছেন অতীত থেকেই।

তার এই কর্মকাণ্ড বর্তমানেও অব্যাহত রয়েছে। তিনি সংগঠিত করেছেন বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক সংগঠন। উপদেষ্টা হিসেবে উদ্ভাবন করেছেন সমাজসেবামূলক বিভিন্ন কর্মকান্ডের। প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে সেইসব সংগঠনকে আর্থিক অনুদান দিয়েও সহযোগিতা করে আসছেন প্রতিনিয়ত। আব্দুস সালাম‘এর প্রতিষ্ঠিত লাঠি-বাঁশি সংগঠনকে কেন্দ্র করে, নির্মাণ হয়েছে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, নাটক, রচিত হয়েছে গণসঙ্গীত।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সমাজসেবক, সচেতন নাগরিক, মনিমুল হক সাময়িকীকে জানান, আব্দুস সালাম একজন সাধারন ব্যবসায়ী, তার মতন সাধারন ব্যবসায়ী, আমাদের নাটোর জেলায় অনেকই আছে কিন্তু অসহায় মানুষদের নিয়ে তার যে ভাবনা, তেমন কেউ ভাবেনা।

তিনি প্রতিনিয়ত সমাজের নিম্ন শ্রেণীর মানুষের খোঁজ খবর রাখেন। দরিদ্র মানুষদের নিয়ে ভাবেন। একজন ব্যবসায়ী হিসেবে তিনি প্রায় হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করেছেন, তাই মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন, এই মানুষটিকে যেন দীর্ঘজীবী করেন, এই দোয়া প্রতিনিয়ত তার প্রতি রইল।

নাটোর জেলা জুয়েলারি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক, ভবেশ চন্দ্র চক্রবর্তী (ভক্ত) সাময়িকীকে জানান, আব্দুস সালাম এমন একজন ব্যক্তি, যিনি প্রথম চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। সাহসী এই ব্যক্তির কারণে, সমাজ থেকে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ নির্মূল হয়েছিল, তৎকালীন সময়ে।

ব্যবসায়ীরা রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রক শক্তি, অর্থনীতির চাবিকাঠি। আমরা সবদিক থেকে রাষ্ট্রকে সহায়তা করি। আমরা এত কিছু করার পরেও একজন মূল্যহীন মানুষ, যাদের সামাজিকভাবে কোন মূল্যই নেই। তাদের কাছে আমরা নির্যাতিত কেন হবো? নিপীড়িত কেন হবো? যদি সুষ্ঠুভাবে ব্যবসা পরিচালনা করি, তবে রাজস্ব খাতের আয় বৃদ্ধি পাবে, সেই লক্ষ্যে লাঠি-বাঁশি বিরল ভূমিকা রেখেছিল।

বর্তমানে প্রশাসন ও রাজনীতিবিদের ব্যাপক তৎপরতায়, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নির্মূল হয়ে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি বন্ধ হলেও নীরব চাঁদাবাজি চলছে। লাঠি-বাঁশি সংগঠনের উদ্ভাবক, আব্দুস সালাম এর কাছে চিরকাল আমরা কৃতজ্ঞ। চিরজীবী হোক এই চিরসবুজ ব্যক্তি। সার্বিকভাবে তার মঙ্গল কামনা করছি।

নাটোর জেলা এনজিও অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, প্রভাতী রানী বসাক সাময়িকীকে জানান, আব্দুস সালাম নিঃসন্দেহে একজন ভালো মানুষ, সমাজ উন্নয়নে রয়েছে তার অনেক অবদান, এই মানুষটি সংগঠিত করেছে নাটোরে অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, ব্যক্তিগতভাবে আমি তাকে জানি, তিনি ন্যায় পরায়ন যেকোনো কাজ শুরু করলে সেই কাজটি তিনি সুষ্ঠুভাবে সুসম্পন্ন করেন।

কোন কিছু ত্যাগ করতে দ্বিধাবোধ করেন না। তার বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকান্ড নিজ চোখে দেখেছি এবং সেই সমস্ত অনেক অনুষ্ঠানে আমি উপস্থিত থেকেছি এবং দেখেছি। লাঠি-বাঁশি সংগঠনের মাধ্যমে তিনি প্রতিবন্ধী দের মাঝে ছাগল বিতরণ সহ সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড করেছেন। তা নিজ চোখে দেখার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। মানুষের মঙ্গলার্থে নিবেদিত এই ব্যক্তি সহ তার পরিবারের সকলের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।

নাটোর জেলা জজ কোর্টের এ্যাডভোকেট, লোকমান হোসেন সাময়িকীকে জানান, আব্দুস সালাম একজন দেশ প্রেমিক, তার প্রতিষ্ঠিত লাঠি-বাঁশি সংগঠনের মাধ্যমে, সার্বক্ষণিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করেছেন। নাটোরের সমস্ত ব্যবসায়ীদেরকে তিনি এক কাতারে দাঁড় করিয়েছিলেন।

সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজি নাটোর শহরে নির্মূল হয়েছিল। বখাটে ছেলেপেলেদের উপদ্রব কমে ছিল লাঠি-বাঁশি সংগঠনের কারণে। মাদক মুক্ত হয়েছিল নাটোর। পরবর্তীতে লাঠি-বাঁশি সংগঠনের কার্যক্রম স্থবির হয়ে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে আমি জানিনা।

বর্তমানে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে জানলাম তিনি জাগো বাহে কোনঠে সবায় নামে একটি সংগঠন সংগঠিত করেছেন। সেই সংগঠনের মাধ্যমে, এই দুর্যোগে দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের মাঝে, বিনামূল্যে খাদ্য সামগ্রী সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করছেন। সার্বিক ভাবে আমি তার মঙ্গল কামনা করি।

নাটোর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. জালাল উদ্দিন সাময়িকীকে জানান, আব্দুস সালাম নিঃসন্দেহে একজন ভালো মনের মানুষ। বিভিন্ন সময় তার সামাজিক উন্নয়ন কর্মকান্ড নাটোরের মানুষের কাছে আলোচিত হয়েছে। তার প্রতিষ্ঠিত লাঠি-বাঁশি সংগঠন, নাটোর জেলা থেকে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ নির্মূল করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিল।

ব্যবসায়িক ও সাধারণ মানুষ উপকৃত হয়েছিল। তিনি নাটোরের একজন আলোচিত ও নিঃস্বার্থ সমাজ সেবক। এখন পর্যন্ত তিনি সামাজিক উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কর্মকান্ড সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। তার এই সমাজ সেবামূলক কর্মকান্ড অব্যাহত থাকুক, এমনটাই প্রত্যাশা করি।

নাটোর জেলা এনজিও অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক, শিবলী সাদিক সাময়িকীকে জানান, আব্দুস সালাম একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী হয়েও, আমাদের সমাজের নিম্ন শ্রেণীর মানুষকে নিয়ে তিনি ভাবেন। তার এই সামাজিক কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করে, নাটোর জেলা এনজিও অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে তাকে, সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

সমাজ উন্নয়নে অবদান রাখবার জন্য, এই সম্মাননা তার প্রাপ্তি বলে আমরা মনে করেছি। তিনি আমাদের নাটোর জেলার একজন সচেতন ও সমাজসেবক নাগরিক। এই ধরনের ব্যক্তি আমাদের জেলায় সমাজে ও রাষ্ট্রে বৃদ্ধি হোক এমনটাই প্রত্যাশা করি।

নাটোর জেলা সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) এর কার্যকরী সদস্য, দিঘাপতিয়া এম কে কলেজ এর অধ্যক্ষ, মো. আব্দুর রাজ্জাক, সাময়িকীকে জানান, নাটোরের আব্দুস সালাম একজন সচেতন নাগরিক। অতীত থেকে তিনি নাটোরের গরিব মানুষের জন্য, সমাজের জন্য যে কর্মকান্ড গুলো করে আসছেন তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তার এই কর্মকাণ্ড কে সাধুবাদ জানাই।

নাটেরের আলো এনজিও’এর নির্বাহী পরিচালক শামীমা লাইজু সাময়িকীকে জানান, আব্দুস সালাম নাটোরের একজন ভালো সমাজসেবক, সমাজের সবাই কিন্তু সমাজ সেবক হতে পারে না, আবার সবাই সমাজকর্মী হতে পারেনা, উনার যে অবদান সেইটা হচ্ছে অধিকার ভিত্তিক এবং সার্ভিস রিলেটেড কাজগুলো দুইটাই করেন তিনি।

কমিউনিটি পুলিশিং‘এ খুব ভালো অবদান রেখেছেন তিনি। মাদকাসক্তদের নিয়ে বেশ পরিকল্পনা করেছিলেন এবং সেই পরিকল্পনার অনেক কিছুই বাস্তবায়ন করেছেন। মানুষ ভালো না হলে তো সেবক হতে পারে না। ব্যক্তিগত ভাবে বোঝা যায়, সমস্যা চিহ্নিত করলে সমাধানের পথও উন্মুক্ত করেন তিনি।

তার ভিতরে অনেক মানবিক দিক পরিলক্ষিত হয়। তার দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য ও সার্বিক সার্বিক মঙ্গল কামনা করি। এ ধরনের মানুষ আমাদের সমাজে অনেক কম। তিনি নাটোরের মানুষের জন্য, নাটোর বাসীর জন্য গর্বের।

নাটোর ইউনাইটেড প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, তরুণ সাংবাদিক , বুলবুল আহমেদ সাময়িকীকে জানান, আব্দুস সালাম বরাবরই একজন সমাজসেবক, ইতিপূর্বে তিনি লাঠি-বাঁশি নামে সংগঠন করে, নাটোরের সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদেন প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়েছিলেন, যখন নাটোর জেলায় সন্ত্রাসীদের অবাধ বিচরণ ছিল।

চাঁদাবাজরা রাজত্ব কায়েম করেছিল, তখন প্রথম প্রতিবাদের ঝড় তুলেছিলেন এই ব্যক্তি। তার সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন কর্মকান্ড, দৃষ্টি কেড়েছে নাটোরের সাধারণ মানুষের।
বর্তমানে তিনি দারিদ্র্য ও অসহায় মানুষের জন্য “জাগো বাহে কোনঠে সবায়” নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং পৃষ্ঠপোষকতা করছেন।

ইতিমধ্যে এই সংগঠনটি নাটোরের মানুষের কাছে ব্যাপকভাবে সাড়া ফেলেছে। একজন সাংবাদিক হিসেবে আমি কামনা করি তার এই সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড গুলোর ধারাবাহিকতা এবং তার দীর্ঘায়ু।

সামাজিক উন্নয়নে অসহায় মানুষদের জন্য কেন তিনি এই কর্মকাণ্ড গুলো করছেন তাই জানতে সাময়িকী মুখোমুখি হয়েছিল আব্দুস সালাম‘এর – তিনি সাময়িকীকে জানান, আমি কি করেছি না করেছি নাটোরবাসী সাক্ষী। একজন সন্ত্রাসী আমাকে মন্দ বলতেই পারে, কারণ তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে বাধা দিয়েছি।

একজন চাঁদাবাজ সে আমাকে দুষ্টু বলতেই পারে, কারণ তার চাঁদাবাজি আমি বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছি। নাটোরের নিম্নআয়ের মানুষ, অসচ্ছল ব্যক্তি, অসহায় যারা, তাদের কাছে জানতে হবে আমি কি সত্যিই মন্দ কিছু করেছি?

যখন নাটোর সন্ত্রাস এবং চাঁদাবাজদের অভয়ারণ্য হিসেবে আখ্যায়িত হয়েছিল, যখন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কে প্রাণের ভয় দেখিয়ে, বাড়িঘর উচ্ছেদ করে রাতারাতি ভারতবর্ষে পালিয়ে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল, সেই সময় সংঘটিত করেছিলাম লাঠি-বাঁশি সংগঠন, যার সুফল নাটোরের সাধারণ জনগণ পেয়েছেন এবং তার সুফল ভোগ করেছেন।

লাঠি-বাঁশি সংগঠন শুধু নাটোর জেলা ইউনিয়ন পর্যায়ে কমিটি গঠন করেনি, অনুকরণীয় হয়েছিল বাংলাদেশের অনেক জেলায়, এমনকি বিশ্বের ১৮ টি দেশে। জাগো বাহে কোনঠে সবায় সংগঠনের মাধ্যমে, কয়েক হাজার কর্মহীন মানুষের দ্বারে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে খাদ্য সামগ্রী, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ক্ষারযুক্ত সাবান, মাস্ক সহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় কাঁচা তরিতরকারি শুধুমাত্র মানুষের জন্য।

মানুষের কল্যাণার্থে রমজান মাস জুড়ে প্রতিদিন এক হাজার মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দেয়া হয়েছে ইফতার সামগ্রী। কর্মকান্ডগুলো মানুষের হাততালি পাওয়ার জন্য অবশ্যই আমি করিনি, কারন মানুষ হয়ে জন্ম নিয়েছি, মানুষের জন্য মানুষের কিছু করণীয় আছে, মানুষ যদি মানুষের সুখে-দুঃখে এগিয়ে না আসে, তাহলে জন্মের সার্থকতা আসবে না বলে আমি মনে করি। আমার মৃত্যুর পরে, যদি কেউ আমার জন্য এক ফোঁটা চোখের অশ্রু ফেলে, আমার কর্মকান্ডের সার্থকতা সেখানেই আমি খুজে পাব।

নাটোরের বিভিন্ন উপাসনালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তার অবদানের কথা, তিনি অনেক মসজিদের উন্নয়নে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন। আলাইপুর মাখরাজ মসজিদের জায়গা নিয়ে ৩১ বছর চলাকালীন মামলা, তিনি মুহূর্তেই মীমাংসা করেছিলেন। অদ্যাবধি লিল্লাহি বডিং‘এ নিয়মিত খাদ্য সামগ্রী পৌঁছান তিনি।

তিনি বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশন‘এর বারবার নির্বাচিত পরিচালক, বাংলাদেশের ২৭ জন পরিচালকের মধ্যে তিনি একজন। উত্তরবঙ্গ সার সমিতির সহ সভাপতি। বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশন (বিএফএ) নাটোর জেলা শাখা সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। দেশের কৃষি উন্নয়নে অব্যাহত সেবাদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশন এর পক্ষ থেকে তাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে…

লাঠি-বাঁশি কার্যক্রম পর্যালোচনা করতে বিবিসি লন্ডনের গণমাধ্যমকর্মী এসেছিলেন তার সাক্ষাৎকার নিতে। এছাড়াও অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান, উপমহাদেশের প্রখ্যাত কথা সাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক সহ দেশবরেণ্য ব্যক্তিবর্গের পদধূলি পড়েছিল নাটোরে।

যাদেরকে আমন্ত্রণ করে আনা খুব সহজ বিষয় ছিল না। এই অসাধ্যকে সাধন করেছিলেন আব্দুস সালাম। তার কারণে নাটোরবাসী স্বচক্ষে তাদেরকে দেখেছিলেন এবং নাটোরবাসী স্মৃতিতে আজও তা অমলিন।

অসহায় ও দরিদ্র মানুষের সুখে-দুঃখের সাথী একজন আব্দুস সালামের মত লক্ষ্য আব্দুস সালাম জন্ম নিক আমাদের সমাজে। আর এই সমাজে অনুকরণীয় হোক তার আদর্শ, এমনটাই প্রত্যাশা করেন নাটোরের সচেতন মহল।

আজ তার শুভ জন্মদিনে সাময়িকী পরিবারের পক্ষ থেকে নাটোরের সমাজসেবক এই সহজ মানুষের জন্য শুভেচ্ছা ও দীর্ঘায়ু কামনা।

অন্যান্য নিবন্ধসমূহ

সংবাদদাতা এবং লেখা আবশ্যক

নরওয়ে থেকে প্রকাশিত একমাত্র বাংলা পত্রিকা ‘সাময়িকী’ পত্রিকার জন্য বাংলাদেশ সহ বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে সংবাদদাতা আবশ্যক।
ভায়োলেট হালদার
প্রধান সম্পাদক
[email protected]

গল্প-কবিতা সহ বিবিধ সাহিত্য রচনা প্রসঙ্গে ইমেইল করুন।
লিটন রাকিব
সাহিত্য সম্পাদক
[email protected]

- বিজ্ঞাপন -

সর্বাধিক পঠিত

সদ্য প্রকাশিত

লেখা কপি করার অনুমতি নেই, লিংক শেয়ার করুন।