শনিবার, ডিসেম্বর ৩, ২০২২

বিরতিহীন যাত্রা

প্রকাশিত:

পাহাড়ের বুক চিরে নেমে আসা ঝর্না,
দুরন্ত গতিতে ধেয়ে চলে অসীমের পথে।
সেই পথের একদিন পরিচয় হয় নদী ও নদ বলে।
নদ কিংবা নদীর ধর্ম বড়োই আপনভোলা,
সে আর মনে রাখে না তার উৎসমুখকে।
অনবরত ধেয়ে চলে সাগরাভিমুখে,
চারপাশের সব কিছু ভাসিয়ে নিয়ে তার এই চলা।
বিরহী পাহাড় ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকে,
প্রতীক্ষার প্রহর কোনোদিন হয় না শেষ।
এ যেন সেই মাতৃজঠর থেকে ভূমিষ্ঠ শিশু,
যে কেবলই সময়ের হাত ধরে সামনে এগিয়ে যায়।
সময় হয় না আর উৎসে ফিরে দেখার,
গতি শ্লথ হতে হতে
একসময় থেমে যায়।
পেছনে ফেলে আসা পথরেখা,
মিলিয়ে গেছে সময়ের প্রলেপে।
অস্তগামী সূর্যের শেষ রশ্মি মিলিয়ে যেতে যেতে,
ঝর্না,নদী,মানুষ সকলের যাত্রাপথ মিশে যায় অনন্তলোকে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
অমিতা মজুমদার
অমিতা মজুমদার
কবি ও লেখক

সর্বাধিক পঠিত

আরো পড়ুন
সম্পর্কিত

শম্পা ঘোষের ছয়টি কবিতা

প্রেম ভাসান নিষ্কলঙ্ক জৌলসে প্লাবিত হয় আবেগ,উপেক্ষিত ভাবনারা আজ ছন্নছাড়া...

তৈমুর খানের ছ’টি কবিতা

একটি মৃত্যু শুধু কাজল পরোনিওই চোখে মেঘলা বিশ্বাস আমি আত্মহত্যাকারীসব সিঁড়ি...

তৈমুর খানের নির্বাচিত ছয়টি কবিতা

আস্ফালন একা জানালার কাছে দাঁড়িয়ে আছি নিরক্ষরসব অক্ষরগুলি মার্জিত নিবেদনে...

জয়িতা ভট্টাচার্যের নির্বাচিত ছয়টি কবিতা

আবহমান যখনই উল বুনিঘর ভুল হয়ে যায়।দুটো কাঠি বলাবলি করে...
লেখা কপি করার অনুমতি নেই, লিংক শেয়ার করুন।