সাময়িকী.কম

নিজস্ব প্রতিবেদক : ষাটের দশকের জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী ফরিদা ইয়াসমিন মারা গেছেন।

শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে সত্তরোর্ধ্ব এই শিল্পীর মৃত্যু হয় বলে তার বড় ছেলে কাজী শাহনূর হোসেন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “মা গত ১৮দিন ধরে বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আজ সন্ধ্যা ৬টায় তিনি আমাদেরকে ছেড়ে চলে যান।”

সাবিনা ইয়াসমিনের বড় বোন ফরিদা ইয়াসমিন ষাটের দশকে গান গেয়ে জনপ্রিয়তা পান।

সাবিনা ইয়াসমিনের মেয়ে ইয়াসমিন ফায়রুজ বলেন, “উনি হাফ কোমায় ছিলেন। অনেক দিন আগে থেকেই কিডনি কাজ করছিল না, ডায়ালাইসিস চলছিল। এছাড়া থেলাসেমিয়া ছিল, একবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল। বিভিন্ন রকম সমস্যা ছিল উনার।”

ফরিদা ইয়াসমিনের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

ফরিদা ইয়াসমিনের লাশ বারডেম হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে জানিয়ে তার ছেলে শাহনূর বলেন, রোববার মৃতদেহ বাসায় আনা হবে। সেখানে জানাজার পর বনানী করবস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

১৯৫৮ থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত সিনেমা আর রেডিওর গানের জনপ্রিয় শিল্পী ছিলেন ফরিদা ইয়াসমিন। আধুনিক বাংলা গান, উর্দু গান ও গজল গেয়েছেন তিনি। পরে সংসার নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় তিনি গান থেকে অনেকটা দূরে সরে যান বলে তার ছেলে শাহনূর জানান।

তিনি বলেন, “মা পরে মাঝে মাঝে বিশেষ কোনো উপলক্ষেই গান গাইতেন। নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে উনি একেবারেই গান ছেড়ে দেন।”

ফরিদা ইয়াসমিনের তিন বোন ফওজিয়া খান, নীলুফার ইয়াসমিন ও সাবিনা ইয়াসমিন বাংলা গানে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন।

সেবা প্রকাশনীর স্বত্ত্বাধিকারী ও থ্রিলার সিরিজ ‘মাসুদ রানা’র লেখক কাজী আনোয়ার হোসেন তার স্বামী। লেখক কাজী মোতাহার হোসেন তার শ্বশুর।

কাজী আনোয়ার হোসেন ও ফরিদা ইয়াসমিনের দুই ছেলে কাজী শাহনূর হোসেন ও কাজী মায়মুর হোসেন লেখালেখি ও সেবা প্রকাশনীর সঙ্গে রয়েছেন।
বিভাগ: ,

Author Name

যোগাযোগের ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.