রফিকুল ইসলাম সাগর 
সাময়িকী.কম

কুয়ালালামপুরের দর্শনীয় স্থান গুলোর মধ্যে অন্যতম বাতু কেভস। পাহাড়ের সামনে দাঁড়িয়ে আছে বিশাল আকৃতির, প্রায় পাহাড়সম এক সোনালী রংয়ের মূর্তি। মূর্তির পাশ দিয়ে উঠে গেছে সিড়ি পথ। চুনাপাথরে তৈরি এই পাহাড়ে ‘ভেল’ আকৃতির গুহামুখ দেখে আকৃষ্ট হয়ে ভারতীয় ব্যবসায়ী কে থাম্বুসামী পিল্লাই মুরুগান দেবতাকে উত্সর্গ করে ১৮৯২ সালে সোনালী রংয়ের এই ১৪০ ফুট উঁচু মুরুগানের মূর্তিটি তৈরি করেন।

২৭২টি সিড়ি পার হয়ে ওপরে উঠলে মূলগুহা। মূর্তির পাশ দিয়ে উঠে যাওয়া সিড়ি পথের শেষে যে গুহামুখ, সেই গুহামুখের রহস্যময়তাই সবাইকে সেখানে টেনে নিয়ে যায়।



ভেল হচ্ছে মুরুগানের হাতের অস্ত্রসদৃশ দন্ডটি। চব্বিশ মিলিয়ন রুপি খরচ করে কংক্রিট ও স্টিলবারে নির্মিত এই মূর্তিটি সোনালী রঙ করার জন্য স্বর্ণ থেকে তৈরি তিন শ লিটার স্বর্ণালী রঙ থাইল্যান্ড থেকে আনানো হয়েছিল।


বাতু কেভস মূলত হিন্দুদের (তামিল ভাষাভাষিদের) ধর্মীয় তীর্থস্থান।

ছবি : রফিকুল ইসলাম সাগর 
বিভাগ:

Author Name

যোগাযোগের ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.