সাময়িকী.কম

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৬টি ওয়ার্ডের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ২০, বিএনপি ২ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ১৪ জন নির্বাচিত হয়েছেন।  
 
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে সকল ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার মধ্য দিয়ে উত্তরের ফলাফল ঘোষণা সমাপ্ত করেন ঢাকা উত্তরের প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহ আলম। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে স্থাপিত ডিএনসিসি নির্বাচনের কার্যালয় থেকে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়। 

বিজীয়দের মধ্যে ১ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী মো. আফছার উদ্দিন খান (ঝুঁড়ি) প্রতীক নিয়ে ২৩৮৬২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ কফিল উদ্দিন (লাটিম) ৫৪৬৭ ভোট।

২নং ওয়ার্ডে বিএনপি সমর্থিত মো. সাজ্জাদ হোসেন (ঘুড়ি) প্রতীক নিয়ে ১৪৬৩৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসসাইল হোসেন স্বতন্ত্র প্রার্থী (ঠেলাগাড়ি) প্রতীকে পেয়েছেন ১০৩৩১ ভোট।

৩ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ  সমর্থিত প্রার্থী কাজী জহিরুল ইসলাম মানিক (ঝুড়ি) প্রতীকে ৮৬৮৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাজী আলী ইমাম আসাদ (ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট) প্রতীকে পেয়েছেন ৭৮৭৬ ভোট। 
 
৪ নং ওয়ার্ডে মো. জামাল মোস্তফা আওয়ামী লীগ (রেডিও) প্রতীকে পেয়েছেন ৬৫২০ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত সাব্বির দেওয়ান জনি (করাত) পেয়েছেন ৫৮৭৪ ভোট।

৫নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আবদুর রউফ নান্নু (ঠেলাগাড়ি) প্রতীকে ২০৪০৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আনোয়ার হোসেন (ঝুঁড়ি) প্রতীকে পেয়েছেন ৭৫৯৬ ভোট।
 
৬ নং ওয়ার্ডে মো. রজ্জব হোসেন আওয়ামী লীগ (বিদ্রোহী)  ঝুঁড়ি প্রতীক নিয়ে ২২৩৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত মাহফুজ হোসাইন খান সুমন (ঘুড়ি) পেয়েছেন ১০৪২০ ভোট।

৭ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. মোবাশ্বের চৌধুরী (রেডিও) প্রতীকে ২০১২৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির রবিউল আউয়াল সোহেল (মিষ্টি কুমড়া) প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪০১৮ ভোট।

৮ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের মো. কাজী টিপু সুলতান (ঠেলাগাড়ি) প্রতীকে ১০১০৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আবুল কাশেম মোল্লা আকাশ (ট্রাক্টর) প্রতীকে পেয়েছেন ৮৩৩২ ভোট।

৯নং ওয়‍ার্ডে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবুল হোসেন (ঠেলাগাড়ি) প্রতীকে ৪৮২৫ পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত মো. লুৎফর রহমান (টিফিন ক্যারিয়ার) নিয়ে পেয়েছেন ৪৫৯০ ভোট।
 
১০ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আবু তাহের (লাটিম) প্রতীকে ১২৬৫৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. মাসুদ খান (ঠেলাগাড়ি) পেয়েছে ৭৮০০ ভোট।

১১ নং ওয়ার্ডে স্বতন্ত্র প্রার্থী গাজী অলিয়ার রহমান (এয়ার কন্ডিশনার) প্রতীকে ৫৭১৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দেওয়ান আবদুল মান্নান (মিষ্টি কুমড়া) প্রতীকে ৫১৫০ ভোট পান।

১২ নং ওয়ার্ডে মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন তিতু (ঠেলাগাড়ি) প্রতীকে ৩২৮১ ভোট পেয়ে জয়ী হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রুনু আক্তার (ট্রাক্টর) প্রতীকে পান ১০৬০ ভোট।

১৩ নং ওয়ার্ডে মো. হারুন অর রশিদ (ঘুড়ি) প্রতীকে ১০৭৪২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের নাজমুল আলম জুয়েল (ঠেলাগাড়ি) প্রতীকে পান ৪৪৯৭ ভোট।

১৪ নং ওয়ার্ডে মো. হুমায়ুন রশিদ (ঘুড়ি) প্রতীকে ৯০৫১২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মো. রেজাউল হক ভূঁইয়া (লাটিম) প্রতীকে পান ৭২৩৭ ভোট।

১৫ নং ওয়ার্ডে সালেক মোল্লা (ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট) ৮৫১০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. লিয়াকত আলী (মিষ্টি কুমড়া) নিয়ে পান ৭২৫৭ ভোট।

১৬ নং ওয়ার্ডে মো. মতিউর রহমান (ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট) নিয়ে ৯২৫০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সৈয়দ একরাম হোসেন বাবুল (রেডিও) নিয়ে পান ৭৮২৩ ভোট।

১৭ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের মো. জিন্নাত আলী (ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট) প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২২৩৬১ ভোট।  নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. শাহিনুর আলম (টিফিন ক্যারিয়ার) নিয়ে ১৩৯৮৬ পান ভোট।

১৮নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মো. জাকির হোসেন বাবুল (ঠেলাগাড়ি) প্রতীকে ১৩২৭৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কাজী আবদুল লতিফ (ঝুঁড়ি) প্রতীকে পেয়েছেন ১৪৬৬ ভোট।

১৯নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ  সমর্থিত প্রার্থী মো. মফিজুর রহমান (টিফিন ক্যারিয়ার) প্রতীকে ১০৮৯০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ফারুক হোসেন ভূঁইয়া (ঠেলাগাড়ি) নিয়ে পেয়েছেন ৫৬৮৯ ভোট। 

২০নং ওয়ার্ডে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নাছির (ঘুড়ি) প্রতীকে ৮৭৩৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী বিএনপির মো. হাবিব উল্লাহ হবি ঝুঁড়ি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫১১৮ ভোট। 

২১নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের মো. ওসমান গনি (লাটিম) প্রতীকে ১৬৫৪০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার  প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এজিএম শামছুল হক শামসু (ঘুড়ি) প্রতীকে পেয়েছেন ৬৬২১।

২২ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. লিয়াকত আলী (মিষ্টি কুমড়া) প্রতীকে ১০০৮০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ফয়েজ আহমেদ (ঘুড়ি) প্রতীথকে পেয়েছেন ৮৯৬৭ ভোট। 

২৩ ওয়ার্ডে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আবুল মেছের (লাটিম) প্রতীকে ৫২৯৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোস্তাক আহমেদ (ঝুঁড়ি) নিয়ে পেয়েছেন ৪৩৬৪ ভোট। 

২৪নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের মো. সফিউল্লা শফি (ঠেলাগাড়ি) প্রতীকে ১৬২৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাহমুদুল আলম মন্টু (ঘুড়ি) নিয়ে পেয়েছেন ৩৭৯০ ভোট।

২৫নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শেখ মুজিবুর রহমান (ঝুঁড়ি) প্রতীকে ১০০৯৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাইফুল আলম কাজল (লাটিম) নিয়ে পেয়েছেন ৩৯২৭ ভোট। 

২৬নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শামীম হাসান (মিষ্টি কুমড়া) প্রতীকে ১২১০৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. নবী সোলায়মান ভূঁইয়া (ঘুড়ি) প্রতীকে পেয়েছেন ২২৬৮ ভোট।

২৭নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের ফরিদুর রহমান খান ইরান (লাটিম) প্রতীকে ১৮৭৫৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার (ঘুড়ি) প্রতীকে পেয়েছেন ৫০৭৮ ভোট।

২৮নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মো. ফোরকান হোসেন (ঘুড়ি) প্রতীকে ৫১৫৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আফতাব উদ্দীন জসীম (কাঁটা চামচ) নিয়ে পেয়েছেন ৪৪৭৫ ভোট। 
 
২৯ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের মো. সলিমউল্লাহ সলু (ঘুড়ি) প্রতীকে ৪৮৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। প্রতিদ্বন্দ্বী মো. নুরুল ইসলাম রতন (ঠেলাগাড়ি) প্রতীকে পান ৭৫৭০ ভোট।
 
৩০ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের (বিদ্রোহী) আবুল হাসেম হাসু (মিষ্টি কুমড়া) প্রতীকে ১১৪০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আবুল হাসেম (ঠেলাগাড়ি) প্রতীক নিয়ে পান ১০৫৫৫ ভোট।

৩১ নং ওয়ার্ডে বিএনপির ফরিদ উদ্দিন ফরহাদ (মিষ্টি কুমড়া) প্রতীকে ৩০৪৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। প্রতিদ্বন্দ্বী মো. শফিকুল ইসলাম (ঠেলাগাড়ি) নিয়ে পান ৪৯৩৮ ভোট।

৩২ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের হাবিবুর রহমান মিজান (রেডিও) প্রতীকে ৪০৯৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আতিকুল ইসলাম মতিন (ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট) নিয়ে ৩১৯৫ ভোট পান।

৩৩ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের (বিদ্রোহী) তারেকুজ্জামান রাজিব  (টিফিন ক্যারিয়ার) নিয়ে ৬৫২৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের শেখ বজলুর রহমান (মিষ্টি কুমড়া) নিয়ে ৪৮৩৮ ভোট পান।

৩৪ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের আবু তাহের খান (ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট) প্রতীকে ৬৩৮০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। প্রতিদ্বন্দ্বী শেখ মোহাম্মদ হোসেন (টিফিন ক্যারিয়ার) নিয়ে ৪৬০৩ ভোট পান। 

৩৫ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের (বিদ্রোহী) ফয়জুল মুনির চৌধুরী (ঘুড়ি) প্রতীক নিয়ে ৪৫২৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত মোক্তার সরদার (কাটা চামচ) প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪২১২ ভোট।

৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের তৈমুর রেজা খোকন (ঘুড়ি) ৮৮১৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাজেদা আলী হেলেন (ঝুঁড়ি) প্রতীক নিয়ে ৩৩৯৩ ভোট পেয়েছেন। 

মহিলা ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের মধ্যে জয়ী যারা:

আসন- ১ (১, ১৭ ও ১৮ ওয়ার্ড) নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শাহনাজ পারভীন মিতু (কেটলি) প্রতীক নিয়ে ৬৪৯২৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সালেহা আক্তার (মোড়া) নিয়ে পেয়েছেন ১৮৬৩৫ ভোট।

আসন-২ (৪, ১৫ ও ১৬ ওয়ার্ড) নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ওয়ার্ডে বিএনপি সমর্থিত আমেনা খাতুন (গ্লাস) প্রতীক নিয়ে ২৮০০৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের নাসিমা আক্তার ডলি (পিঞ্জর) প্রতীকে পান ১৮২০৫ ভোট।

আসন-৩ (ওয়ার্ড ২, ৩ ও ৫) নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ওয়ার্ডে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী বেগম মেহেরুন্নেছা হক (পিঞ্জর) নিয়ে ৩৯৮৯৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত সালমা  কামাল (পান পাতা) নিয়ে ৩৫৫৮০ ভোট পান। 

আসন-৪ (ওয়ার্ড ৬, ৭ ও ৯) নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী রাশিদা আক্তার ঝর্ণা (স্টিলের আলমারি) প্রতীকে ৩৬৮৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত সৈয়দা মিলি জাকারিয়া চৌধুরী (টিয়া পাখি) পেয়েছেন ১৮৮৬৬ ভোট।

আসন-৫ (ওয়ার্ড ৯, ১০ ও ১১) নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী রাজিয়া সুলতানা ইতি (কেটলি) প্রতীকে ১৬১৮১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নার্গিস বেগম বেবী (পান পাতা) ১৫০৭৯ ভোট পান। 

আসন-৬ (ওয়ার্ড ১২, ১৩ ও ১৪) নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মাসুদা আক্তার (কেটলি)  ৩১৭৪৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী, আনার কলি (স্টিলের আলমারি) ১৪৬৩৮ নিয়ে ভোট পান। 

আসন-৭ (ওয়ার্ড ১৯, ২০ ও ২১) নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত আওয়ামী লীগের ওয়ার্ডে খালেদা বাহার বিউটি (মোড়া) ২৬৪৫০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পেয়ারা মোস্তফা (গ্লাস) প্রতীকে ১০২৩১ ভোট পান।

আসন-৮ (ওয়ার্ড ২২, ২৩ ও ৩৬) নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ওয়ার্ডে আমেনা বেগম  (গ্লাস) ২৪০৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাম্মী আক্তার (পান পাতা) নিয়ে পেয়েছেন ১১৭৪৬ ভোট।

আসন-৯ (ওয়ার্ড ২৪, ২৫ ও ৩৫) নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ওয়ার্ডে  আওয়ামী লীগের নাজমুন নাহার হেলেন (পান পাতা) প্রতীকে ২১২৫৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আলেয়া বেগম মনি (গ্লাস) নিয়ে  ১৬৩৪৭ ভোট পান।

আসন-১০ (ওয়ার্ড ২৬, ২৭ ও ২৮) নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের শামীমা রহমান (মোড়া) ১৪৯২৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাহানা বেগম (টিস্যু বক্স) নিয়ে ১১২৮২ ভোট পান।

আসন-১১ (ওয়ার্ড ২৯, ৩০ ও ৩২) নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ওয়ার্ডে কাওছার জাহান (শিল পাটা) ১৬৮৭৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রোজী জয়িতা (কেটলি) নিয়ে ১৩০৬৩ ভোট পান।

আসন-১২ (ওয়ার্ড ৩১, ৩৩ ও ৩৪ নম্বর) নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আলেয়া সারোয়ার ডেইজী (মুলা) ১০৬১০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আনোয়ারা বেগম (মোড়া) পান ১০৩৫১ ভোট পান। বাংলানিউজের সৌজন্যে
বিভাগ:

Author Name

যোগাযোগের ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.