সাময়িকী.কম

দৈনিক ভোরের কাগজের প্রতিবেদন 


ডেস্ক নিউজ : আসন্ন তিন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৬৫ হাজার ফোর্স মাঠে নামানোর পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১৯ এপ্রিল অনুষ্ঠেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ইসির বৈঠকের কার্যপত্র থেকে এ তথ্য জানা যায়।

ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভোটের আগে দুদিন ও পরের একদিনসহ মোট চারদিনের জন্য বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা মাঠে থাকবেন। এদের মধ্যে কিছুসংখ্যক থাকবে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে। অবশিষ্টগুলো মোবাইল টিম হিসেবে নির্বাচনী এলাকায় দায়িত্ব পালন করবে। ঢাকা উত্তর সিটিতে ১ হাজার ৯৩টি, দক্ষিণে ৮৮৯টি ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মোট ৭১৯টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এই ২ হাজার ৬২৭টি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় ৬৩ হাজার ফোর্স নিয়োজিত

করা হবে। ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তার জন্য দায়িত্বে থাকবে পুলিশ, এপিবিএন ও ব্যাটালিয়ন আনসার।

প্রতি ভোটকেন্দ্রে ২২ থেকে ২৪ জন করে বিভিন্ন বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। এদের মধ্যে ১২ জন হবেন অস্ত্রধারী।

এছাড়া নির্বাচনী এলাকায় র‌্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ডের আরো দুই হাজার সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। এরা ভোটগ্রহণের দুদিন আগে থেকে নির্বাচনের পরের দিন পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন টহল দেবে নির্বাচনী এলাকায়। এক্ষেত্রে তারা আগামী ২৬ এপ্রিল থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত মোতায়েন থাকবে।

অন্যদিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ভোটের দিন নির্বাচনী এলাকায় থাকবেন ২৮৬ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৩৩ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে মেটাল ডিটেক্টর স্থাপন করে চেকিংয়ের ব্যবস্থা নেয়া, রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ফলাফল না পৌঁছানো পর্যন্ত টহল জোরদার করার পরিকল্পনার কথাও বলা হয়।

আবার ভোটের দিন কেন্দ্রের চৌহদ্দির মধ্যে ধূমপান নিষিদ্ধকরণ ও দিয়াশলাই, লাইটারসহ দাহ্য পদার্থ বহনে কড়াকড়ি আরোপ করা হবে। অন্যদিকে, বৈদ্যুতিক হিটার বা যে কোনো ধরনের চুলা ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনাও রয়েছে ইসির।

অন্যদিকে নারী ভোটারদের জন্য আগের তুলনায় অধিকসংখ্যক নারী বুথ এবং যথাসম্ভব বেশি সংখ্যায় নারী ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ করার কথাও ভাবছে ইসি।

আগামী ২৮ এপ্রিল তিন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ১৯ এপ্রিলের ইসির বৈঠকটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ মিলনায়তনে বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকের কার্যপত্রটি প্রস্তুত করেছেন ইসির সহকারী সচিব মো. রাজীব আহসান।

বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য ইতোমধ্যে সেনাবাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব, মহাপুলিশ পরিদর্শক, বিজিবি, র‌্যাব, আনসার ভিডিপি, কোস্ট গার্ড, ডিজিএফআই, এনএসআইয়ের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
বিভাগ:

Author Name

যোগাযোগের ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.