সাময়িকী.কম : গণতন্ত্র না থাকলে ধর্মনিরপেক্ষতা বা অসাম্প্রদায়িক চেতনা বাস্তবায়ন হয় না বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । তিনি বলেছেন, অসাম্প্রদায়িক চেতনাতে এই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। সেই অসাম্প্রদায়িক চেতনা প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। সব সম্প্রদায়ের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার ওপরও জোর দেন তিনি।

জন্মাষ্টমী উপলক্ষে রোববার গণভবনে হিন্দুধর্মাম্বলীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

হিন্দুসম্প্রদায়কে বাংলাদেশে শক্ত অবস্থান নিয়ে থাকতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ আপনাদের মাতৃভূমি। এই মাটিতে আপনারা জন্মগ্রহণ করেছেন। এখানে আপনাদের অধিকার। এখান থেকে কেন কেউ আপনাদের সরাবে? আপনারা নিজের অধিকার নিয়ে, নিজেদের শক্ত অবস্থান নিয়ে বসবাস করবেন, সেটাই আমরা চাই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র ছাড়া কোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। সব ধর্মের মানুষের অধিকারও নিশ্চিত হবে না। তিনি বলেন, সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি যার যার ধর্ম পালনের অধিকার নিশ্চিতও করা হয়েছে।

অর্পিত সম্পত্তির ১৪(খ) ধারা বাতিল করার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সব থেকে জটিল ছিল অর্পিত সম্পত্তি নিয়ে। সেই জটিলতা আমরা দূর করতে সক্ষম হয়েছি। ২০০১ সালে নির্বাচনের ওপর আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, জামাত-শিবির হিন্দুসম্প্রদায়ের ওপর সবার আগে ঝাঁপিয়ে পড়ে, হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর আঘাত হানার চেষ্টা করে। বিএনপি-জামাত যখন ক্ষমতায় আসে, তখন প্রতিহিংসার রাজনীতি করে।

'দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন' শ্রীকৃষ্ণের এই বক্তব্য আগস্ট মাসে আরো প্রযোজ্য বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই দুষ্টচক্রের আঘাতেই তো আমরা জাতির পিতাকে হারিয়েছি।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সেক্টর কমান্ডার সি আর দত্ত, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেণ শিকদার, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি কাজল দেবনাথ, জন্মাষ্টমী উদডাপন পরিষদের সভাপতি রমেশ চন্দ্র ঘোষ ও সাবেক সভাপতি দেবাশীষ পালিত এবং মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি জে এল ভৌমিক।  সূত্র: ওয়েবসাইট।

Author Name

যোগাযোগের ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.