সাময়িকী.কম : দেশের পাঁচটি শহরে (সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা) সাড়ে ৭ হাজার পরিবারের বাসস্থান নির্মাণের একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার।

বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্পের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) এম কামাল উদ্দিন তালুকদার। তিনি বলেন, 'বস্তিতে বসবাসরত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ‘প্রো-পুওর স্লাম ইন্টিগ্রেশন প্রজেক্ট’ বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংক ৮ কোটি মার্কিন ডলার অর্থায়ন করবে। এই প্রকল্পের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর।' আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে বিশ্বব্যাংকের গভর্নিং বডির সভায় প্রকল্পটি পাশ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সিটি কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন, সিরাজগঞ্জ পৌরসভা ও দিনাজপুর পৌরসভার প্রতিটিতে ৫টি করে মোট ২৫টি বসতিতে কমিউনিটি-নির্ভর এসব বাসস্থান নির্মাণ করা হবে। এই ২৫টি কমিউনিটি বসতির প্রত্যেকটিতে ৩০০টি করে মোট ৭,৫০০টি পরিবারের বাসস্থান নির্মাণ হবে।

জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, এই পরিকল্পনার প্রকল্প এলাকায় রাস্তা, ড্রেন নির্মাণ, বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস সরবরাহসহ প্রয়োজনীয় সকল সুযোগ সুবিধা দিয়ে  দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সহযোগিতার জন্য বিশ্বব্যাংক আইডিএ ফান্ড থেকে অনুদান দেবে। এছাড়া গরীব ও দরিদ্রদের ঘরবাড়ি উন্নয়নের জন্য বিশ্বব্যাংক ঋণ সহযোগিতা করবে।

প্রকল্প পরিচালক বলেন, পিপিএসআইপি প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো শুধু আবাসন প্রকল্পে সীমাবদ্ধ না থেকে একটি টেকসই সমাধানের লক্ষ্যে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তাদের জীবনযাত্রা গতিশীল রাখা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রার সুযোগ নিশ্চিত  করা।

জানা যায়, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের ৯টি উন্নয়ন প্রকল্পে আগামী নভেম্বর-মার্চের মধ্যে প্রায় দুই হাজার ৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়ন অনুমোদন করবে। প্রো-পুওর স্লাম ইন্টিগ্রেশন প্রজেক্টটি এসবের একটি।

বর্তমানে বাংলাদেশের শহরাঞ্চলের ৪ কোটি দরিদ্র মানুষের প্রায় ৬২ শতাংশই বস্তিতে বসবাস করে থাকে। বিশাল এ জনগোষ্ঠী যাবতীয় ভৌত অবকাঠামো সুবিধার বাইরে জীবনযাপন করে থাকে। এছাড়া মৌলিক সেবা ও সামাজিক সেবা থেকেও এরা বঞ্চিত।
বিভাগ:

Author Name

যোগাযোগের ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.