আশেকুর রহমান
অলংকরণ: মাসুক হেলালঅলংকরণ: মাসুক হেলাল১৫ মিনিটের পথ কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ড। প্রচণ্ড জ্যামে প্রায় ৪০ মিনিট লাগল। সিএনজি থেকে নেমেই বাস কাউন্টারে গেল রুমন। টিকিট আগে থেকেই বুকিং দেওয়া ছিল। টাকা পরিশোধ করে টিকিট নিয়ে বাসে উঠে পড়ল। ঈদের ছুটিতে বাড়ি যাচ্ছে রুমন। বাসের ভেতর ওঠার সময় সে একটা মেয়েকে লক্ষ করল। মেয়েটার পেছনেই রুমনের সিট। বাসের ভেতর একটা ঈদের আমেজ। সবার মনে ঈদের আনন্দ, কিন্তু ওই মেয়েটাকে একটু চিন্তিত মনে হচ্ছে। সে বারবার কাকে যেন ফোন করছে। একটু পরে পাবনার উদ্দেশে বাস চলতে শুরু করল। তখনই মেয়েটি ড্রাইভারের দিকে এগিয়ে গিয়ে বলল, আমার বান্ধবী এখনো পৌঁছেনি, একটু অপেক্ষা করুন প্লিজ। পাঁচ-সাত মিনিট পরে মেয়েটার বান্ধবী এসে পৌঁছাল।
বাসটি যাত্রা শুরু করল। মেয়েটা তার বান্ধবীকে জিজ্ঞেস করছে, ‘সুস্মিতা তুই এত দেরি করলি কেন?’ মেয়েটা জবাবে বলল, ‘আরে ইসমিতা আমি ঠিক সময়ে বের হয়েছিলাম, রাস্তায় যা জ্যাম তাই একটু দেরি হয়ে গেছে।’
পাশাপাশি বসে দুই বান্ধবী অনেক গল্প করছে। গান শুনতে শুনতে রুমনের মনে হলো ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিই, ঈদে বাড়ি যাচ্ছি। হঠাৎ করে সামনে বসা মেয়েটার কথা মনে হলো তার। ফেসবুকে ইসমিতা নামে সার্চ দিল। অনেকগুলো ইসমিতা চলে এল সার্চ লিস্টে। সবগুলোই খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে লাগল রুমন। একসময় ইসমিতা হক নামের একজনের প্রোফাইল ছবি হুবহু মিলে যায় সামনে বসা মেয়েটার সঙ্গে। সঙ্গে সঙ্গে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে দিল সে।
গাড়িটা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। ১০ মিনিট পরে বাস থেকে নামতে হবে রুমনকে। এমন সময় মেয়েটা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ করেছে। সঙ্গে সঙ্গে রুমন মেয়েটার ইনবক্সে মেসেজ পাঠাল ‘আপনি কি আমার সামনে বসা মেয়েটা?’ 
মেয়েটা পেছনে ঘুরে তাকাল।

Author Name

যোগাযোগের ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.