সাময়িকী.কম 
পর্যটকদের কাছে বিশ্বের সবচেয়ে বাজে শহর মস্কো, মুগ্ধ করে টোকিও
এ শহরের বাসিন্দারা মোটেও বন্ধুত্বপরায়ন নন, হোটেলগুলোর অবস্থা ভয়াবহ, চারদিকে কোনো দোকানপাট নেই এবং সবকিছুতেই একটা বুনো ভাব ছড়িয়ে আছে। ঐতিহ্যবাহী ইতিহাস আর বিশ্ব রাজনীতিতে দোর্দণ্ড প্রতাপ নিয়ে টিকে থাকলেও পর্যটকদের দৃষ্টিতে এমনই দৈন দশা ফুটে উঠেছে রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর। তাই বিশ্বের সবচেয়ে বাজে শহর নির্বাচনের ভোটে চ্যাম্পিয়ান হলো মস্কো। পর্যটকদের সব দিক থেকে মন কেড়ে নিয়েছে জাপানের রাজধানী টোকিও।
ট্রিপঅ্যাডভাইজর এর বিশ্বের সব শহর নিয়ে জরিপের বার্ষিক প্রতিবেদনে ৫৪ হাজার পর্যটকের মতামত নেওয়া হয়। এরা বিশ্বের বড় বড় শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চল চষে বেড়িয়েছেন। পর্যটকদের সবচেয়ে আকর্ষণীয় সেরা ৩৭টি স্থান নির্বাচনের সময় মস্কোর অবস্থান ছিলো সবচেয়ে নিচে।
পাঁচটি ক্যাটাগরিতে পর্যটকরা ভোট দেন। সব মিলিয়ে অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে মস্কো নিচের দিক থেকে তৃতীয় স্থান পায়। বাসিন্দাদের অতিথিপরায়নতা, দোকানপাটের ব্যবস্থা, রেস্টুরেন্ট, ট্যাক্সি সার্ভিস, অর্থের বিনিময়ে হোটেলের মান ইত্যাদি বিষয়ে কোনরকমে সর্বনিম্ন অবস্থা থেকে একধাপ ওপরে ছিলো শহরটি।
সবকিছু মিলিয়ে সবচেয়ে খারাপের অবস্থানে রয়েছে মুম্বাই। আর দ্বিতীয় অবস্থান পায় ডমিনিকান রিপাবলিকের ছবির মতো সুন্দর শহর পুন্টা কানা। এ শহরের সৌন্দর্য্য ছাড়া আর কোনো সুবিধাই নেই।

দুর্ভাগ্যক্রমে লন্ডন ১১তম অবস্থানে চলে গিয়েছে। তবে রাতের নিরাপদ জীবনের দিক থেকে নিউ ইয়র্কের পরই দ্বিতীয় এবং কেনাকাটার ক্ষেত্রে দুবাই ও নিউ ইয়র্কের পর তৃতীয় অবস্থানে থাকে লন্ডন। স্থানীয়দের বন্ধুসুলভ আচরণের দিক দিয়ে লন্ডন ৩২তম হয় ৩৭টি দেশের মধ্যে। এখানকার পাউন্ডের বিনিময়ে প্রাপ্তির পরিমাণ খুবই কম যা শহরটিকে ৩৪তম অবস্থানে রেখেছে।
ঘোরাঘুরি, ট্যাক্সি সার্ভিস আর স্থানীয়দের আচরণের দিক দিয়ে এক নম্বরে রয়েছে সিঙ্গাপুর। যেকোনো কাজ করতে এবং শিল্প-সংস্কৃতি উপভোগ করতে সবার ওপরে রোম। কেনাকাটা ও হোটেল সার্ভিতে প্রথমেই রয়েছে দুবাই।

জরিপ প্রতিষ্ঠানের মুখপাত্র জেমস কে বলেন, লন্ডন সব সময়ই টুরিস্টদের জন্য উত্তম। তবে শহরবাসীদের আচরণের ক্ষেত্রে আমাদের সিঙ্গাপুর বা টোকিওর কাছ থেকে শেখার রয়েছে।
বিভাগ:

Author Name

যোগাযোগের ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.