সাময়িকী.কম
যতোই বলা হোক না কেন ভালোবাসা ভালো নয়, তবুও মানুষ কিন্তু ভালোবাসার পিছনেই ছুটে থাকেন। প্রেম/ভালবাসা/মায়া ইত্যাদির মোহ মানুষের সেই আদিকাল থেকেই রয়েছে। তাই মানুষ প্রেমে পড়েন। এমনকি ভুল করেও অনেকে দ্বিতীয়বার প্রেমে পড়ে যান। কারণ একটাই মানুষ অনেক বেশি মাত্রায় আবেগি প্রাণী।
নারী পুরুষের মধ্যে আকর্ষণ থাকবেই। পুরুষ ও নারী সাধারণ ভাবেই একে অপরের প্রতি আকর্ষণ বোধ করে থাকেন। তার থেকেই শুরু হয় ভালোলাগা এবং এভাবেই ভালোলাগা গড়ায় ভালোবাসায়। কিন্তু অনেকে নিজের ভালোলাগা এবং ভালোবাসাকে প্রকাশ করতে পারেন না ভাষায়।
কিন্তু ভালোবাসার ব্যাপারটি আচরণেই প্রকাশ পেয়ে যায়। তাই লক্ষণেই বুঝে নিতে পারবেন কেউ আপনাকে সেই "বিশেষ" নজরে দেখছেন কিনা। চলুন তবে আজকে দেখে নেয়া যাক সেই লক্ষণগুলোকে যা দেখে বুঝে নিতে পারবেন পছন্দের পুরুষটি আপনাকে বিশেষ নজরে দেখছেন কিনা!
ছবি: লুনা ও বাবু

আপনাকে দেখা মাত্রই লাজুক ভঙ্গির মিষ্টি হাসি উপহার দিয়ে থাকেন তিনি

মিষ্টি হাসি মেয়েরাই বেশি দিয়ে থাকেন। ছেলেদের মুখে মিষ্টি হাসি হরহামেশা নজরে পড়ে না। এই মিষ্টি হাসির ব্যাপারটি ভালো করে লক্ষ্য করুন। খেয়াল করুন ছেলেটি তার বন্ধু বান্ধবের সাথে কীভাবে হাসেন এবং আপনাকে কোন হাসিটি উপহার দিয়ে থাকেন। একটু লাজুক মিষ্টি হাসি কিন্তু আপনার প্রতি দুর্বলতার বেশ ভালো একটি লক্ষণ।

তিনি আপনাকেই দেখেন

তিনি যদি আপনার মাঝে সেই বিশেষ রমণীকে খুঁজে থাকেন তবে তিনি আপনার দিক থেকে খুব কমই নজর ফেরাবেন। বন্ধুদের আড্ডাতেও তিনি আপনার দিকে তাকিয়ে থাকেন এবং আপনি তাকালেই চোখাচোখি হয়ে যায়। দু একবার চোখাচোখি এমনিতেই হতে পারে। কিন্তু বারবার চোখাচোখি হওয়াতে আপনাকে লক্ষণ বুঝে নিতে হবে। তিনি হয়তো চোখের ভাষায় আপনাকে কিছু বোঝাতে চাইছেন।

অকস্মাৎ ছোঁয়া

যদি কোনো ছেলে একটি মেয়ের প্রতি আসলেই দুর্বল থেকে থাকেন তবে তিনি চাইবেন তার পছন্দের মানুষটির সামান্য ছোঁয়া। দুজন মানুষ খানিখন পাশাপাশি থাকলে ছোঁয়া লাগতেই পারে। কিন্তু ইচ্ছে করে সামান্য ছুঁয়ে দিয়ে সেটাকে অকস্মাৎ ছোঁয়ায় পরিনত করবেন না সকলেই। আপনাকে বুঝে নিতে হবে তার অকস্মাৎ ছোঁয়ার অর্থ।

আপনার সামনে এলেই তার কথা জড়িয়ে যায়

একজন ছেলে মন থেকে কাউকে পছন্দ করলে তার সামনে এলে তার হার্টবিট অনেক বেশি বেড়ে যায়। তিনি ভেতরে ভেতরে অনেক বেশি লজ্জিত এবং শঙ্কিত বোধ করতে থাকেন। এই কারনেই তার মুখে কথা জড়িয়ে যায় কিংবা অসংগতিপূর্ণ কথা বলে থাকেন। তিনি যদি বন্ধু বান্ধবের সাথে সাধারণভাবেই কথা বলেন এবং আপনার সামনে এসে তালগোল পাকিয়ে ফেলেন তবে এটিকে লক্ষণ হিসেবেই ধরে নেবেন।

আপনি সাথে থাকলে তিনি অনেক বেশি দায়িত্ববান হয়ে যান

ছেলেদের খুব বেশি কারো কথা মনোযোগ দিয়ে শুনতে দেখা যায় না। কম বয়সী যারা, তারা খুব কমই নিজ থেকে কোনো কিছু দায়িত্ব নিয়ে করে থাকে। তাদেরকে দায়িত্ব দেয়া হলেই করেন। কিন্তু যদি লক্ষ্য করেন তিনি আপনি সাথে থাকলে বেশ দায়িত্ববান হয়ে উঠেছেন এবং সব কিছু ছেড়ে দিয়ে আপনার কথা মনোযোগ সহকারে শুনছেন এবং মানার চেষ্টা করছেন তবে বুঝে নেবেন তার চোখে আপনি বিশেষ একজন।

Author Name

যোগাযোগের ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.