সাময়িকী.কম
দৈনন্দিন জীবনে আমাদের সবারই নানান রকমের অসুখ বিসুখ হয়। ছোট খাটো এসব সমস্যা নিয়ে তেমন কোনো মাথা ঘামান না বেশিরভাগ মানুষ। আর তাই ডাক্তারের কাছে না গিয়ে ঘরে বসেই কষ্ট করেন অসুখ নিয়ে। ছোটখাটো কিছু শারীরিক সমস্যার আছে দারুণ কিছু ঘরোয়া উপসম। প্রকৃতির মধ্যেই লুকিয়ে আছে নানান সমস্যার এসব সমাধান। আসুন জেনে নেয়া যাক ১০টি দারুণ খাবার সম্পর্কে যারা সারাবে ১০টি বাজে অসুখ।

কলা

মাঝে মাঝেই যাদের মাথা ব্যাথা করে তাঁরা রান্নাঘর থেকে কলা নিয়ে খেয়ে ফেলুন। কলা মাথা ব্যাথার তাৎক্ষণিক উপসম করে কিছুটা হলেও। এছাড়াও মানসিক চাপ অনুভূত হলে কলা খেলে মানসিক চাপ কিছুটা কমে।

দই

যাদের কোষ্ঠ্যকাঠিন্য অথবা গ্যাসের সমস্যা আছে তাঁরা দই খেলে উপকার পাবেন। নিয়মিত দই খেলে কোষ্ঠ্যকাঠিন্য এবং গ্যাসের সমস্যা অনেকটাই কমে যায়।

কিসমিস

কিসমিস খেলে হাইপার টেনশনের সমস্যা অনেকটাই কমে যায়। ৬০টি কিসমিসে ১ গ্রাম ফাইবার ও ২১২ গ্রাম পটাশিয়াম আছে যা হাইপার টেনশন কমিয়ে রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে সহায়তা করে।

আদা চা

যানবাহনে চড়ার কারণে কিংবা গর্ভধারণের কারণে অনেকেরই বমি বমি ভাব হয়। আদা চা বমি বমি ভাব দূর করতে সহায়তা করে। বমি ভাব অনুভূত হলেই আদা গুড়া বা কুচি করে চা বানিয়ে খেয়ে ফেলুন। আদার রস খেলেও উপকার পাবেন।

মধু

কাশির জন্য মধুর বিকল্প নেই। যাদের কাশির সমস্যা আছে তাঁরা নিয়মিত ঘন মধু খেলে কাশি সেসে যায় সহজেই। বিশেষ করে অপরিশোধিত গাঢ় রং এর মধু হলে বেশি উপকার পাওয়া যায়।

বাঁধাকপি

যাদের আলসারের সমস্যা আছে তাঁরা বাঁধাকপি খেলে উপকার পাবেন। বাঁধাকপিতে আছে সালফোরেফেন যা আলসার ও পেপটিক আলসার সৃষ্টিকারী ব্যকটেরিয়াকে নষ্ট করে দেয়। ফলে নিয়মিত বাঁধাকপি খেলে আলসারের উপসম মিলে।

কমলা

কমলার রস দূর্বলতা কমিয়ে দিতে সহায়তা করে। কমলার রসে আছে ফ্রুকটোজ যা সহজেই শরীরকে চাঙা করে দেয়।

রসুন

শরীরের যে কোনো ধরনের ইস্ট ও ফাঙ্গাল ইনফেকশন কমিয়ে দিতে সহায়তা করে রসুন। যেকোনো ধরনের ব্যাথা উপসমেও সহায়তা করে থাকে রসুন।

আলু

মাঝারী আকৃতির একটি আলুতে ৩৭ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট থাকে যা সেরোটোনিন লেভেল বৃদ্ধি করে টেনশন ও মাথা ব্যাথা কমিয়ে দেয়।

Author Name

যোগাযোগের ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.