নিত্যনতুন ফ্যাশন এবং স্টাইলিং ফ্যাশন জগতের একধরণের খেলা। কখন কোন জিনিসটি হুট করে বদলে যায় ফ্যাশন জগতে তা বলা দায়। তাই সবাই মুটামুটি তৈরিই থাকেন এই পরিবর্তনের জন্য। বিশেষ করে মেয়েরা। সব চাইতে বেশি চুলের ফ্যাশন বদলান মেয়েরাই। দেখা যায় পোশাকের সাথে মিলিয়ে হুট করে বদলে ফেললেন চুলের ধরণ।
বর্তমানে স্ট্রেইট চুলের ফ্যাশন চললেও পিছিয়ে নেই চুল কার্ল করার ফ্যাশন। কার্লি চুল স্টাইলে আনে নতুনত্বের ছোঁয়া। অন্যরকমের এক ধরণের ভালোলাগা থাকে কার্লি চুলে। তাই চুলকে কার্ল করে ফেলার ফ্যাশনও চলছে। কিন্তু সোজা চুলের চাইতে কার্ল চুলের যত্ন আত্তি বেশ কঠিন। কার্ল চুলের জন্য আলাদা ভাবে যত্ন নিতে হয়। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক কিভাবে যত্ন নেবেন ফ্যাশনেবল কার্লি চুলের।

বড় দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করুন

কার্ল চুলের জন্য বড় দাঁতের চিরুনি অত্যন্ত জরুরী। কার্ল চুলে সাধারণ চিরুনি দিয়ে কখনোই চুল আঁচড়াবেন না। এবং চুল আঁচড়ানোর সময় তাড়াহুড়ো করবেন না। এতে চুল বেশি ছেঁড়ার সম্ভাবনা থাকে। আলতো করে এবং ধীরে আঁচড়ে চুলের জট ছাড়াবেন। এতে করে চুল ছিড়বে না এবং মাঝ থেকে ভাঙবে না।

হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহারে সতর্ক থাকুন

কার্লি চুল এমনিতেই একটু বেশি রুক্ষ হয়। তার ওপর নিয়মিত হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার চুলের রুক্ষতা আরও বাড়িয়ে তোলে এবং চুল ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি বেড়ে যায়। তাই হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহারের সময় সতর্ক থাকবেন। একটি সুতি কাপড় দিয়ে চুল পেঁচিয়ে নিয়ে তারপর হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করুন।

শ্যাম্পু খুব কম ব্যবহার করবেন

কার্লি চুলে খুব ঘন শ্যাম্পু করলে চুলের কার্লি ভাব নষ্ট হয়ে যায়। এবং রুক্ষতা অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়। তাই কার্লি চুলে সপ্তাহে মাত্র ১ দিন ভালো করে শ্যাম্পু করা ভালো। অন্যান্য দিনে খুব ভালো কোনো কন্ডিশনার দিয়ে চুল ধোবেন।

সপ্তাহে ১ দিন হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করুন

১ টি ডিম, ১ টেবিল চামচ টক দই, ২ টেবিল চামচ মধু, ৩ টেবিল চামচ তেল (নারকেল তেল/ অলিভ অয়েল/ আলমন্ড অয়েল) এবং পরিমাণ মতো কন্ডিশনার একটি বাটিতে নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই মাস্কটি চুলে লাগিয়ে রাখুন ১০ মিনিট। এরপর ভালো করে চুল ধুয়ে নিন। এই মাস্কটি চুলকে করবে শাইনি এবং চুলের কার্ল ভালো থাকবে।

Author Name

যোগাযোগের ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.