চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবানি মাংসের সুনাম আছে পুরো দেশ জুড়ে। নামজাদা বাবুর্চির হাতে মেজবানি মাংস খেয়ে মুগ্ধ হননি এমন ভোজন রসিক খুঁজে পাওয়া যাবে না। আচ্ছা, যদি বলি বাড়িতেই রাঁধা সম্ভব এই দারুণ মজার মেজবানি মাংস? হ্যাঁ, আজ আপনাদের জন্য মেজবানি মাংসের একদম নিখুঁত রেসিপিটি নিয়ে এলেন শৌখিন রাঁধুনি সামিয়া রহমান। আসুন, জেনে নেই ভীষণ সহজ রেসিপিটি। আর দেখি দারুণ ছবি।

উপকরণ:

গরুর বিভিন্ন অংশের মাংস, কলিজা ও হাড় মিলিয়ে ৫ কেজি,
পেঁয়াজকুচি ২ কাপ,
আদাবাটা ৩ টেবিল-চামচ,
রসুনবাটা ২ টেবিল-চামচ,
লাল মরিচবাটা ৩ টেবিল-চামচ,
জিরা গুঁড়া দেড় টেবিল-চামচ,
ধনে গুঁড়া ১ টেবিল-চামচ,
হলুদ গুঁড়া ২ টেবিল-চামচ,
সাদা তিলবাটা ১ টেবিল-চামচ,
পেঁয়াজবাটা আধা কাপ,
সরিষা তেল আড়াই কাপ,
মিষ্টি জিরাবাটা ১ চা-চামচ,
রাঁধুনিবাটা ১ চা-চামচ,
সরিষাবাটা ১ টেবিল-চামচ,
পোস্তদানাবাটা ১ টেবিল-চামচ,
তেজপাতা ৭-৮টি,
এলাচ, দারচিনি ও লবঙ্গবাটা ১ টেবিল-চামচ,
কাবাব চিনিবাটা ১ টেবিল-চামচ,
জায়ফল-জয়ত্রিবাটা ১ চা-চামচ,
গোলমরিচবাটা ১ চা-চামচ,
মেথিবাটা ১ চা-চামচ,
পানি ৪-৫ কাপ,
লবণ স্বাদমতো।

প্রণালি:

  • -তেলে পেঁয়াজকুচি লাল করে ভেজে গরম মসলা ছাড়া বাকি মসলা মাখিয়ে মাংস ঢেলে ভালোভাবে কষান।
  • -আধা ঘণ্টা পর ৪-৫ কাপ গরম পানি দিয়ে ঢেকে দিন।
  • -মাংস সেদ্ধ হয়ে এলে গরম মসলা দিয়ে কিছুক্ষণ ঢেকে রেখে নামিয়ে নিন। তৈরি আপনার মেজবানী মাংস!

Author Name

যোগাযোগের ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.