রোজকার জীবনে কত খাবারেই না আমরা টমেটো ব্যবহার করি। সালাদে হোক কিংবা ডালে, মাছের ঝোলে হোক কিংবা চচ্চড়িতে- আজকাল আমাদের খাবারে টমেটো চাই অবশ্যই। আর বিজ্ঞানের কল্যাণে এখন তো সারা বছরই দেখে মেলে এই টমেটোর। এই যে সারা বছর একটা খাবার খাচ্ছেন, জানেন কি পুষ্টিগুণে কি দারুণ সেটা? এই এক টমেটো যে হরেক স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান, সেটা জানা আছে?
টমেটো শুধু স্বাদে দারুণ নয়, টক-মিষ্টি স্বাদ ছাড়াও টমেটো বেশ কিছু ঔষধি গুণেও ভরপুর। এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও লাইকোপিন রয়েছে। এছাড়াও এতে প্রোটিন, ভিটামিন, ফ্যাট ইত্যাদি বিদ্যমান। সস্তা টমেটোয় দামী আপেল ও কমলালেবুর গুণাগুণ বর্তমান। টমেটোতে কার্বোহাইড্রেটের মাত্রা কম থাকে, ফলে ডায়েট করে ওজন কমাতে চাইলে টমেটো আপনার বেস্ট ফ্রেন্ড। পৌষ্টিক গুণাগুণ সম্পন্ন টমেটো সব ঋতুতেই খাওয়া লাভদায়ক।
  • - টমেটো খেলে খিদে বাড়ে, এছাড়াও টমেটো পাচন শক্তি বাড়ায় ও পেটের যাবতীয় গোলযোগ দূর করে। এতে পেট পরিষ্কার থাকে এবং এটি খেলে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
  • - টমেটো খেলে ত্বকে সানবার্ন এবং ট্যান পড়ার সমস্যা দূর হয়। টমেটোতে অবস্থিত লাইকোপীন ত্বকে আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে সুরক্ষিত রাখে।
  • - ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য টমেটো খাওয়া অত্যন্ত উপকারী। প্রতিদিন একটি শশা ও টমেটো খেলে ডায়াবেটিস রোগীরা লাভ পাবেন।
  • - টমেটো চোখ ও মূত্রাশয়ের রোগের ক্ষেত্রেও উপযোগী। টমেটো খেলে কিডনি ও লিভারের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়৷ তাই প্রতিদিন টমেটো স্যুপ খাওয়া যেতেই পারে।
  • - প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় টমেটো রাখলে ক্যানসারের হাত থাকেও রেহাই পাওয়া যায়।
  • - রক্তচাপের রোগীদের ক্ষেত্রেও টমেটো এক উপযাগি পথ্য। এছাড়াও এটি ত্বকে উজ্জ্বলতা আনে এবং ত্বকের যাবতীয় রোগ থেকে রক্ষা করে।
  • - সকালের নাস্তার সমান হল দুটো টমেটো এবং এতে ওজনের ভারসাম্যও বজায় থাকে। এছাড়াও এটি ছোট-খাট সংক্রমণ বা রোগের হাত থেকে শরীরে মুক্ত করে।
  • - যারা নিজেদের ওজন কম করতে চান, তারা টমেটো খেতে পারেন। একটি মাঝারি মাপের টমেটোতে মাত্র ১২ ক্যালোরি থাকে, এর কারণেই এটিকে রোগা হওয়ার উপযুক্ত বলে মনে করা যায়।

Author Name

যোগাযোগের ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.