হঠাৎ করেই অপহরণের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। অপহৃতদের লাশ এবং জীবিত উদ্ধার শুরু করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। কিন্তু শনাক্ত হচ্ছে না দোষীরা, এমনকি তদন্তও হচ্ছে না ঠিকমতো। ফলে বিচার হচ্ছে না বেশিরভাগ ঘটনার। অপহরণের অভিযোগ উঠেছে সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধেও। এদিকে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন করে প্রতিটি ঘটনার জন্য দায়ীদের শনাক্ত করলেই অপহরণের এই প্রবণতা কমবে বলে দাবী সুশীল সমাজের।
দেশের মানুষ গুম, খুন ও অপহরণ নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে । প্রতিদিনই দেশের কোথাও না কোথাও অপহরণের ঘটনা ঘটছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সৌভাগ্যবানরা ফিরে আসছে স্বজনদের মাঝে। আর হতভাগ্যরা পরিণত হচ্ছে লাশে। আবার অপহরণের পর অনেকের কোন হদিস মিলছে না। অপহৃতদের উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী অভিযানও চালাচ্ছে। তবে এ ধরণের নাটকীয় উদ্ধার অভিযান নিয়ে জনমনে প্রশ্ন রয়েছে। নারায়ণগঞ্জে প্যানেল মেয়র নজরুল ও এডভোকেট চন্দন সরকারসহ সাতজনকে অপহরণের দু’দিন পর শীতলক্ষ্যায় তাদের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এই আতঙ্ক। কারা এর সাথে জড়িত তার কোন কুলকিনারা করতে পারছে না-দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনী। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও দেশের সুশীল সমাজ প্রত্যেকেই আতঙ্কিত তাদের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে। প্রশ্ন তোলা হয়েছে, অপহরণ ঘটনার সাথে আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর যোগসুত্র রয়েছে কিনা? আবার একদিনেই অপহরণ করা তিন ব্যবসায়ী উদ্ধার ঘটনাও নিয়েও জনমনে নানা গুঞ্জন। তবে সরকারের পক্ষ থেকে এসব নির্মমতা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার ঘোষনা দেয়া হয়েছে। আর পুলিশের পক্ষ থেকে গঠন করা হয়েছে এন্টি কিডন্যাপিং টিম।
এরপরও মানুষের আতঙ্ক কাটছে না। ঘটেই চলেছে অপহরণের ঘটনা। আর নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষা নদীতে পাওয়া গেছে অজ্ঞাত আরও একজনের লাশ। এসব ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে নারায়ণগঞ্জবাসী রোববার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালন করবে। একইভাবে রোববার থেকে ৪৮ ঘন্টার ধর্মঘট পালন করবে নারায়নগজ্ঞ সিটি কর্পোরেশন। এদিকে, সাত অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সন্দেহে পুলিশ ১৬ জনকে গ্রেফতার করেছে। নজরুল হত্যা মামলার অন্যতম আসামী নুরুর বাসায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ রক্তমাখা গাড়ীসহ বেশকিছু আলামতও জব্দ করেছে।
অপহরণের ২৬ ঘণ্টার মাথায় সাভার থেকে উদ্ধার হওয়া সাইফুল জানিয়েছেন, তিনি কাউকে চিনতে পারেননি। তবে সাইফুল ইসলাম অপহরণের ২২ দিন আগেই অপহৃত হন তার আপন ভায়রা ভাই রহমত উল্লাহ সেন্টু। তিনি এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। তার পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ৯ এপ্রিল ঢাকার রায়সাহেব বাজার এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে কয়েকজন রহমত উল্লাহকে একটি কালো রঙের মাইক্রোবাসে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। এভাবে প্রতিদিনই বেরিয়ে আসছে নুতন নুতন অপহরণের খবর।
শনিবার ঢাকা, সিলেট ও নোয়াখালী থেকে অপহৃত তিন ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করা হয়েছে। এরই মধ্যে গতকাল বেলা ১২ টার দিকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে কায়েতপাড়া ইউনিয়নের চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্রের বাগুনচর এলাকা থেকে শীতলক্ষ্যা নদীতে ভাসমান অবস্থায় আরো এক অজ্ঞাত (৩০) যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলামকে অপহরণে জড়িত থাকার অভিযোগে এক দম্পতিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ(ডিবি)। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের কাউন্সিলর নজরুল ইসলামসহ সাত খুনের মামলার প্রধান আসামি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের আরেক কাউন্সিলর নূর হোসেনের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইলের বাসায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাকে খুঁজে পায়নি। তবে তার পরিবারের ১৬ সদস্যকে আটক করেছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।
পুলিশের অতিরিক্ত আইজি খন্দকার গোলাম ফারুক জানিয়েছেন, অভিযানের সময় রক্তমাখা একটি কালো রঙের হাইএস মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো-চ ১৫০৫১০), একটি রক্তমাখা শার্ট উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত আইনজীবী চন্দন সরকারের ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোনও এ সময় আটক করা হয়েছে। কাউন্সিলর নূর হোসেনের একটি পাসপোর্টও উদ্ধার করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে রয়েছে নূর হোসেনের বডিগার্ড, বাড়ির দারোয়ান ও কাজের লোক রয়েছে।
এছাড়াও পৃথক কয়েকটি অভিযানে দেশের বিভিন্ন স্থানে গত তিনদিনে পুলিশ অপহরণের ঘটনায় জড়িত কয়েক ডজন ব্যাক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁদের মধ্যে পুলিশের দুজন সদস্য রয়েছেন। গত ২৬ এপ্রিল ঢাকায় অপহৃত জাজ মাল্টিমিডিয়া’র হিসাবরক্ষক সজিব অপহরণের দায়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শীষ মনোয়ারকে গ্রেফতারের পর দু’দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। এ অবস্থায় সিলেট এবং নারায়ণগঞ্জে সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অভিযান স্থগিত করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে আগামী ১০ মে থেকে মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, পিকআপসহ সব ধরনের হালকা যানবাহনে কালো, রঙিন, মার্কারি ও অস্বচ্ছ প্লাস ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

মানববন্ধনে পুলিশের বাধা 

দেশজুড়ে গুম, খুন ও হত্যার প্রতিবাদে মৌলিক অধিকার সুরক্ষা কমিটির ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে বাধা দেওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন দেশের বিশিষ্টজনরা। গতকাল শনিবার বিকেল ৫টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এ মানববন্ধন হওয়ার কথা ছিলো। তবে পূর্বানুমতি না থাকায় মানববন্ধন করতে দেয়নি পুলিশ। তবে, সুজনের পক্ষ থেকে অনুমতির কাগজপত্র দেখানোর পরও মানববন্ধন করতে দেয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তারা। মানববন্ধনে অংশ নিতে ড. শাহদীন মালিক, টিআইবির নির্বাহী ড. ইফতেখারুজ্জান, আসিফ নজরুল, দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, রাশেদা কে চৌধুরী, খুশি কবির, সুলতানা কামাল, কবরী সারোয়ার, ডা. জাফর উল্লা চৌধুরীসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
তবে পুলিশের তেজগাঁও জোনের এডিসি আনিসুর রশিদ জানান, জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে মানববন্ধন করার জন্য আমাদের কাছ থেকে কোনো অনুমতি নেননি তারা। যে কাগজটা দেখানে হয়েছে তা হলো অবগতিপত্র, অনুমতি নয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গত দু’দিন ধরে সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড, সানারপাড়া, মৌচাক, মাদানীনগর, ডাচবাংলা, শিমরাইল, সিদ্ধিরগঞ্জপুলসহ বিভিন্ন পয়েন্টে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পাশাপাশি র‌্যাব ও বিজিবি টহল দিচ্ছে। গুম-খুনের বিরুদ্ধে রোববার দলের গণঅনশন কর্মসূচিতে যোগ দেবেন খালেদা জিয়া। রোববার সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত সারাদেশে গণঅনশন কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি। কেন্দ্রীয় কর্মসূচি হবে জাতীয় প্রেসক্লাবে, বিকালে সেখানে যোগ দেবেন খালেদা।

গুম আতঙ্কে মেয়র আইভি!

অব্যাহত গুম-হত্যা ও অপহরণে নিজের পরিবার ও নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভি। তিনি বলেন, নিজের নিরাপত্তা নিয়ে কখনও শঙ্কিত নই। আমি জনগণের সেবায় কাজ করছি। আল্লাহ আমাকে নিরাপত্তা দিবেন। তবে আমি শঙ্কিত আমার পরিবার ও নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে।
এদিকে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান দাবি করেই যাচ্ছেন, পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিগত বছরের তুলনায় গুম, অপহরণ বাড়েনি। এতে আতঙ্কিত হওয়ারও কিছু নেই। বিগত সালে যে ধরনের ঘটনা ঘটেছে, তার তুলনায় বর্তমানে কমই হয়েছে।
অপরদিকে পরিসংখ্যানটা ভয়াবহ। মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের হিসাবে ২০১০ থেকে ২০১৪ সালের মার্চ পর্যন্ত সারা দেশে ২৬৮টি অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে মরদেহ উদ্ধার হয়েছে ৪৩ জনের। অপহরণের পর ছেড়ে দেয়া হয়েছে ২৪ জনকে, আর পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে ১৪ জনকে। বাকি ১৮৭ জনের কোনো খোঁজই নেই।
এদিকে বিএনপি অবশ্য এই ঘটনায় সরাসরি সরকারকেই দায়ী করছে। তাদের অভিযোগ, সরকার বিরোধী দলের কর্মীদের দমন করতেই অপহরণ-গুমের কৌশল নিয়েছে। পরে তা বিস্তৃত হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জেনারেল মাহবুবুর রহমান বলেন, দেশে একের পর এক যেভাবে ভয়াবহ হত্যাকান্ড, গুম ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তা থেকে প্রমাণ হয় সরকার দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। এই ব্যর্থতার দায় নিয়ে তাদের পদত্যাগ করা উচিত। তিনি বলেন, নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে আওয়ামী লীগ বরাবরই বিরোধী দলের ওপর দোষ চাপিয়েছে। কিন্তু দেশের মানুষ অন্ধ নয়, বিবেকহীন নয়। তারা ঠিকই বুঝতে পারছে এসব কারা করছে।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেন, আমি অনেক আগে সাবধানবাণী উচ্চারণ করেছিলাম যে সরষের ভেতর ভূত আছে, সেই ভূত চিহ্নিত করুন, সমস্যার সমাধান করুন। বলেছিলাম, দেশে আটক বাণিজ্য চলছে, এ বাণিজ্য বন্ধ করুন। মানুষ অপহৃত হচ্ছে, গুম হচ্ছে, নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছে। এসব বক্তব্যের কারণে তখন অন্তত দুজন সিনিয়র মন্ত্রী আমার সমালোচনা করে বলেছিলেন, আমি নাকি জামায়াত-শিবিরে রূপান্তরিত হয়েছি। তাঁদের আজ প্রশ্ন করি, যারা নতুন করে অপহৃত হলো, উদ্ধার করা হলো, তাদের অপহরণকারীদের মধ্যে দুজন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। এখন তাঁরা কী বলবেন?
তিনি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, চাটুকারদের কাছ থেকে দূরে থাকুন। চাটুকররা যেন আপনাকে ভুল তথ্য দিয়ে বাস্তবতা থেকে আপনাকে দূরে সরিয়ে রাখতে না পারে। নাগরিকদের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পরিচালক (তদন্ত) নূর খান নারায়ণগঞ্জে ওয়ার্ড কাউন্সিলরসহ সাত জনকে অপহরণ এবং হত্যার ঘটনা কোন সুশৃঙ্খল গোষ্ঠীর কাজ বলে মনে করেন। তিনি জানিয়েছেন, এই ঘটনা নিয়ে তাঁরা তদন্ত শুরু করেছেন। নূর খান বলেন, নিহত সাত জন বিশেষ করে ওয়ার্ড কাউন্সিলর নজরুল ইসলামের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে পুলিশ প্রশাসনকে তাৎক্ষণিকভাবে জানানোর পরও তারা অপহৃতদের উদ্ধারে কার্যকর এবং দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। পদক্ষেপ নিলে তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হত। নূর খান জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই নীরবতা তাৎপর্যপূণ। এ ছাড়া তাদের কাছে মনে হয়েছে, অপরাধীরা কোনো চাপের মুখে ছিল না বা তাদের নিয়ন্ত্রণ করার সামর্থ্য স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ছিল না।
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়ার মতে পরিবেশ আইনবিদ সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের স্বামী আবু বকর সিদ্দিকীর অপহরণ হওয়া কিংবা অতি নাটকীয়ভাবে ফিরে আসা, সবই রহস্যময়। এই অপহরণের পর সমাজের একটি বৃহৎ অংশ দলমত নির্বিশেষে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করেছেন। অনেকের সঙ্গেই সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের কাজ নিয়ে মতভিন্নতা আছে, অনেক রটনাও আছে। কিন্তু তার স্বামী যখন অপহৃত হলেন, তখন সেটি বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। এখানে জনাব সিদ্দিকিকে আইনবহির্ভূতভাবে তুলে নিয়ে যাওয়ার বিরুদ্ধে সবার প্রতিবাদটাই মুখ্য ছিল।

অ্যান্টি-কিডন্যাপিং স্কোয়াড

ঢাকা মহানগর পুলিশ এবার ‘অ্যান্টি-কিডন্যাপিং স্কোয়াড’ গঠন করেছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, অপহরণকারীদের সম্পর্কে কোনো তথ্য থাকলে এই স্কোয়াডকে জানানো যাবে। স্কোয়াডের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের জন্য ২৪ ঘণ্টা হটলাইন চালু করা হয়েছে। চারটি নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে। এগুলো হলো: ০১৭১৩-৩৯৮৩২৭, ০১৭১৩-৩৯৮৬১৯, ০১৭১৩-৩৭৩২১৪, ০১৭১৩-৩৭৩২১৬।
সূত্র: দৈনিক ইনকিলাব

Author Name

যোগাযোগের ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.