এই গরমে ফ্রিজ থেকে বের করা বরফঠান্ডা পানি ঢক ঢক করে খেতে কার না ভালো লাগে? কিন্তু এ রকম হিমঠান্ডা পানি পান করার কি কোনো ক্ষতিকর দিক আছে? বিজ্ঞানীরা বলছেন, এতে ক্ষতি হতে পারে।
দেহের তাপমাত্রার চেয়ে খাবার বা পানীয়র তাপমাত্রা অনেক কম হলে সেটা দেহের ভেতর ঢোকার পর পরিপাকতন্ত্রকে ব্যবহারের উপযোগী উষ্ণ করে তুলতে হয়। এই কাজে সবচেয়ে বেশি যুক্ত থাকে পেটের চর্বি বা ফ্যাট কোষগুলো। ঠান্ডা খাদ্য বা পানীয়র তাপমাত্রা বাড়াতে কাজ করে পাকস্থলী ও পেটের চর্বি।
যাদের ঠান্ডা খেয়ে অভ্যেস, তাদের শরীর অভিযোজনের মাধ্যমে পেটের চর্বিকে বৃদ্ধি করে এবং আরও শক্ত করে নেয়। এ ছাড়া হঠাৎ পরিপাকনালিতে ঢোকা শীতল পানি গলা, পাকস্থলী ও মুখের স্নায়ুগুলোকে সাময়িকভাবে অবশ করে দেয়, পরিপাককাজকে ধীর করে দেয়। খাবার হজম করতে তখন শরীরকে বেশি শক্তি ব্যয় করতে হয়। কখনো পাকস্থলীর স্নায়ুকে হঠাৎ উত্তেজিত করে পেটে ক্র্যাম্প বা পেট কামড়ানি সৃষ্টি হতে পারে। তা ছাড়া গরম খাবার ও শীতল পানীয় একসঙ্গে খেলে দাঁতের এনামেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এনএইচএস ও ইউকে।
বিভাগ:

Author Name

যোগাযোগের ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.