অপরাধীদের শনাক্তকরণ, অজ্ঞাত লাশের পরিচয় বের করাসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ সহজ করতে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডারে র‌্যাব, ডিজিএফআই, এসবিসহ সরকারের আট সংস্থাকে প্রবেশাধিকার দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে দৈনিক যুগান্তরের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ছবিসহ ভোটার তালিকায় দেশের প্রায় সোয়া নয় কোটি নাগরিকের ৩১ ধরনের ব্যক্তিগত তথ্য রয়েছে এনআইডির (জাতীয় পরিচয়পত্র বা ন্যাশনাল আইডেনটিটি) তথ্যভাণ্ডারে। এতে সীমিত আকারে হলেও প্রবেশাধিকারের সুযোগ চেয়ে ইসির কাছে আবেদন করেছে সংস্থাগুলো। কোনো কারণে একজন নাগরিকের ব্যক্তিগত গোপনীয় তথ্য প্রকাশিত হলে এর দায়দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে বহন করতে হবে- এমন শর্ত সাপেক্ষে সংস্থাগুলোকে অনুমোদন দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে ইসির এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে তথ্যভাণ্ডারে থাকা নাগকিরদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লংঘন হতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়, যে সংস্থাগুলো জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডারে প্রবেশাধিকার চেয়ে আবেদন করেছে, সেগুলো হচ্ছে- র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি), সামরিক প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা (ডিজিএফআই), বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুরেলটরি কমিশন (বিটিআরসি), পরিসংখ্যান ব্যুরো, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্প, সমাজসেবা অধিদফতর এবং ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে পরিচয়পত্রে তথ্যভাণ্ডার থেকে ছয় ধরনের তধ্য যাচাইয়ের অনুমতি দেয়া হয়েছে। সম্প্রতি পাসপোর্ট অধিদফতরকেও একই ধরনের অনুমতি দেয়া হয়েছে। ছয়টি তথ্য হচ্ছে নাম (বাংলা ও ইংরেজি), পিতা/স্বামীর নাম, মাতার নাম, জন্মতারিখ, রক্তের গ্র“প ও ছবি।

সূত্র: দৈনিক যুগান্তর

Author Name

যোগাযোগের ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.